দেশীয় বস্ত্রকলকে সুরক্ষা দেওয়ার জন্য বন্ড সুবিধায় ১০-৩০ কাউন্টের কটন (তুলা) সুতা আমদানির সুবিধা বাতিল করেছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। তবে তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকেরা ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে সুতা আমদানি করতে পারবেন। সেই সুতা দিয়ে প্রস্তুত করা তৈরি পোশাক রপ্তানি হওয়ার পর ওই ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত করা হবে।
এনবিআর সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) এক আদেশে বন্ড সুবিধায় ১০-৩০ কাউন্টের সুতা আমদানির সুবিধা বাতিল করে। এতে বলা হয়, বস্ত্র খাতের সমস্যা পর্যালোচনা ও সমাধানের জন্য গঠিত আন্তমন্ত্রণালয় কমিটির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হয় গত ২০ আগস্ট। বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ১০-৩০ কাউন্টের কটন সুতা আমদানি বন্ড সুবিধা প্রত্যাহার এবং ব্যাংক গ্যারান্টির মাধ্যমে আমদানির সুযোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
এনবিআরের আদেশে বলা হয়, বন্ডেড ওয়্যারহাউসের লাইসেন্সধারী রপ্তানিকারকেরা এ সুতা আমদানি করতে হলে বিজিএমইএ বা বিকেএমইএর বা বিটিএমএর প্রত্যয়নপত্রের সংশ্লিষ্ট কাস্টমস স্টেশনে জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে আমদানি পর্যায়ে প্রযোজ্য শুল্ক ও করের সমপরিমাণ অর্থ নিঃশর্ত ব্যাংক গ্যারান্টি দিতে হবে। পরবর্তী সময়ে আমদানি করা কাঁচামাল দিয়ে প্রস্তুত তৈরি পোশাক রপ্তানি হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রত্যয়ন দাখিল করে ওই ব্যাংক গ্যারান্টি অবমুক্ত হবে।
এনবিআরের এ সিদ্ধান্তে বস্ত্রকলমালিকেরা খুশি হলেও তৈরি পোশাক রপ্তানিকারকেরা ক্ষুব্ধ হয়েছেন। তারা বলছেন, দেশের তৈরি পোশাকশিল্প এ বন্ড ব্যবস্থার ওপর নির্ভর করে গড়ে উঠেছে। সুতা আমদানিতে বন্ড ব্যবস্থা বাতিল করলে বিদেশি ক্রেতাদের কাছে ভুল বার্তা যাবে। দেশের তৈরি পোশাক রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যেতে পারে, এমন আশঙ্কাও করেছেন তারা।
উবারের নতুন সেবায় যুক্ত হলো ‘উবার পার্সেল’
ইসরায়েলিদের জন্য ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ