পাইকারি বাজারে এক সপ্তাহের ব্যবধানে চালের দাম আবারো বৃদ্ধি পেয়েছে। চালভেদে ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৪০ টাকা পর্যন্ত। তবে এই মুহূর্তে এর কোনো প্রভাব পড়েনি খুচরা বাজারে; আগের বর্ধিত দামেই প্রতি কেজি চাল বিক্রি করছেন খুচরা ব্যবসায়ীরা।
অবশ্য ব্যবসায়ীদের আশঙ্কা, পাইকারি বাজারে এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা অব্যাহত থাকলে দ্রুতই খুচরা বাজারেও দাম বেড়ে যেতে পারে।
বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুর-৬, মিরপুর-১১ এবং কারওয়ান বাজারের চালের আড়ত ও খুচরা দোকানে খোঁজ নিয়ে এই তথ্য জানা গেছে।
খুচরা বাজারে বিভিন্ন চালের বর্তমান দরদাম
বর্তমানে খুচরা বাজারে তুলনামূলক মোটা চাল 'গুটিস্বর্ণা' প্রতি কেজি ৪৭ থেকে ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাঝারি আকারের বিআর-২৮ চাল কেজিপ্রতি ৫৫ থেকে ৫৬ টাকা এবং চিকন মিনিকেট চাল ৭০ থেকে ৭৫ টাকা দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। এছাড়া ভালো মানের নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।
পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা যা বলছেন
মিরপুর ১১ নম্বর কাঁচাবাজারের হোসেন নামে চাল বিক্রেতা বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগে ৫০ কেজির এক বস্তা বিআর-২৮ চালের পাইকারি দাম মানভেদে ২ হাজার ৪০০ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা ছিল। এখন বস্তাপ্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি দিতে হচ্ছে। তবে বস্তাপ্রতি দাম অন্তত ৫০ টাকা বাড়লে খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়ে।’
অন্যদিকে কারওয়ান বাজারের কিচেন মার্কেটের অরেক চাল বিক্রেতা বলেন, ‘গত সপ্তাহে ৫০ কেজির এক বস্তা মিনিকেট চালের দাম ছিল ৩ হাজার ৫৫০ টাকা। গত বুধবার তা কিনেছেন ৩ হাজার ৫৯০ টাকায়। তবে নাজিরশাইল চালের দাম এখনো আগের মতোই আছে।’
চালের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণেই পরিবহন খরচসহ সামগ্রিক খরচ বৃদ্ধি পেয়ে চালের দাম এভাবে বাড়ছে।