বাজেটে ধনীদের কর বাড়ছে

আপডেট : ১৬ মে ২০২৪, ০৮:৫৬ এএম

করছাড় সীমিত করতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) চাপ আছে। অভ্যন্তরীণ আয়ের খাতকে শক্তিশালী করতে সরকারেরও চেষ্টা আছে। এ দুই কারণে বিভিন্ন উৎস থেকে বাড়তি কর আদায়ের পরিকল্পনা করা হচ্ছে আসছে বাজেটে। এতে ধনীদের ওপর করের বোঝা কিছুটা বাড়বে। গাড়ি আমদানিতে খরচ বাড়বে সংসদ সদস্যদের (এমপি)। তবে করপোরেট কর ও পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত উৎপাদনশীল খাতের প্রতিষ্ঠানের কর কমানোর সিদ্ধান্তে ব্যবসার খরচ কিছুটা কমে আসবে।

অর্থনীতির উপর চাপ কমাতে ধনীর আয়ে কর বাড়াচ্ছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। আসন্ন বাজেটে ব্যক্তি আয়করের সর্বোচ্চ হার ৫ শতাংশ বাড়িয়ে ৩০ শতাংশ করছে সংস্থাটি। কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, কারো আয় বছরে সাড়ে ৩৬ লাখের বেশি হলে দিতে হবে ৩০ শতাংশ আয়কর। এমন সিদ্ধান্তে মিলেছে প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন।

ব্যক্তি আয়করের সর্বোচ্চ হার ৩০ শতাংশ ছিল দীর্ঘদিন। করোনার সময় তা কমিয়ে ২৫ শতাংশ করে এনবিআরের বর্তমান প্রশাসন। দাতা সংস্থা আইএমএফের রাজস্ব বাড়ানোর চাপ, অভ্যন্তরীণ সমালোচনাসহ নানা কারণে সর্বোচ্চ হার আগের অবস্থায় নিচ্ছে সংস্থাটি।

বর্তমানে সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত আয়ে কর দিতে হয় না। পরের এক লাখে কর ৫ শতাংশ। এর পরের ৩ লাখে দশ শতাংশ, তারপরের ৪ লাখে ১৫ শতাংশ এবং পরের ৫ লাখে ২০ শতাংশ কর। এর বেশি আয় হলে কর ২৫ শতাংশ। এনবিআরের সিদ্ধান্ত, আসন্ন বাজেটে সাড়ে ১৬ থেকে ৩৬ লাখ টাকা আয়ে কর হবে ২৫ শতাংশ। তার বেশি আয়ে কর হবে ৩০ শতাংশ।

ঢাকা চেম্বারের সাবেক সভাপতি রিজওয়ান রহমান বলেন, ‘এখন আমাদের ৫টি স্ল্যাব আছে। আপনি (এনবিআর) সেটাকে ১০টা স্ল্যাব করুন দরকার হলে। কিন্তু আপনি ইনকাম গ্যাপগুলোকে আরেকটু ওয়াইডেন (বিস্তৃত) করেন। আমি মনে করি ৫ লাখ কেন, ১০ লাখ টাকা করমুক্ত সীমা হওয়া উচিত। কারণ যারা ১০ লাখ টাকা যারা আয় করছে তাদের থেকে আপনার যে কালেকশন হয়, তারচেয়ে ২৫ শতাংশের ওখানে আপনার হিউজ কালেকশন হচ্ছে। আপনি সেখানে যদি এক পারসেন্ট বা দুই পারসেন্ট বাড়ান, এখানে ১০ লাখ টাকা থেকে যা পাবেন তাতে আপনার কিছুই আসবে বা যাবে না।’

HK/FI
আরও পড়ুন