নেপালের পুরনো রাজনৈতিক সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যকে তোলপাড় করে ৩৫ বছর বয়সি র্যাপার বলেন্দ্র শাহের দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি এখন দেশটির ক্ষমতায়।
আর তাই, দেরি না করে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ফোনে কথা বললেন বলেন্দ্র এবং দলের চেয়ারম্যান রবি লামেছানের সঙ্গে।
এক্স হ্যান্ডলে মোদি লিখেছেন, ‘টেলিফোনে উষ্ণ কথোপকথন হল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টির রবি লামেছানে এবং দলের নেতা বলেন্দ্র শাহের সঙ্গে। নেপালের নির্বাচনে তাদের সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছি।
নেপালের নতুন সরকারের প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছি, ভারত পারস্পরিক উন্নয়ন, সমৃদ্ধি এবং কল্যাণের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমি আত্মবিশ্বাসী, আমাদের যৌথ উদ্যোগে আগামী দিনে ভারত এবং নেপালের সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।’
কূটনৈতিক মহল বলছে, বলেন্দ্রর সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক কোন পথে এগোবে, তা এখনই স্পষ্ট করে বলার সময় আসেনি। ভারতের উন্মুক্ত সীমান্ত সুরক্ষিত রাখার জন্য কাঠমান্ডুতে একটি স্থিতিশীল সরকার প্রয়োজন ছিল। সে দেশের সঙ্গে পরিকাঠামো, বাণিজ্য এবং জ্বালানি সহযোগিতা প্রকল্পগুলি এগিয়ে নেওয়ার জন্যও স্থিতিশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নয়াদিল্লির কাছে।
অন্য দিকে, বলেন্দ্র সম্পর্কে ভারতের পূর্ব অভিজ্ঞতা সুখকর নয়। যদিও তার দল আরএসপি জানিয়েছে, তারা চীন এবং ভারত উভয়ের সঙ্গেই সুসম্পর্ক রেখে চলবে।
নাগরিকদের দাবি, নতুন প্রজন্মের সরকার নেপালের চিরন্তন ভারত-চীন দ্বিরাষ্ট্রীয় নীতি থেকে বেরিয়ে এসে দেশকে সুশাসন এবং দুর্নীতি উচ্ছেদের রাস্তায় নিয়ে চলবে।
তবে ভারত মনে রাখছে, ২০২৩ সালে বলেন্দ্র তার কাঠমান্ডুর মেয়র-দফতরে একটি বৃহত্তর নেপালের মানচিত্র দেখিয়েছিলেন। সেখানে উত্তরাখণ্ড, হিমাচল প্রদেশ এবং পশ্চিমবঙ্গের মতো রাজ্যগুলিকে নেপালের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।
এর পর ২০২৫ সালের নভেম্বরে, কাঠমান্ডুর মেয়র হিসেবে বলেন্দ্র ফেসবুকে একটি বার্তা পোস্ট করেন। সেখানে তিনি তিনটি বিদেশি শক্তি— আমেরিকা, ভারত এবং চীন সম্পর্কে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন।
কানাডায় যুক্তরাষ্ট্রের কনস্যুলেটে গুলি
