ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল ভূখণ্ডে গতরাতের ভয়াবহ ইরানি মিসাইল হামলায় আহতের সংখ্যা বেড়ে ১৮০ জনে দাঁড়িয়েছে। ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া সর্বশেষ তথ্যানুযায়ী, দক্ষিণ ইসরায়েলের কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ শহর ডিমোনা (Dimona) এবং পার্শ্ববর্তী আরাদ (Arad) এলাকায় এই হামলা চালানো হয়। ডিমোনা শহরটি ইসরায়েলের প্রধান পারমাণবিক স্থাপনার কেন্দ্রস্থল হিসেবে পরিচিত।
ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন এই হামলাকে একটি ‘প্রতিশোধমূলক পদক্ষেপ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাদের দাবি, রোববার দিনের শুরুতে ইরানের ‘নাতাঞ্জ’ (Natanz) পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে যে হামলা চালানো হয়েছিল, তার জবাবেই এই মিসাইলগুলো ছোড়া হয়েছে। এই হামলাকে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্যতম নাটকীয় এবং বিপজ্জনক সামরিক মোড় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
ইসরায়েলি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আরাদ শহরে অন্তত ১১৬ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৭ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। অন্যদিকে ডিমোনা শহরে আহত হয়েছেন ৬৪ জন, যার মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত গুরুতর। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৪ হাজার ৫৬৪ জনকে বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে ১২৪ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যার মধ্যে ১৪ জনের অবস্থা অত্যন্ত সংকটাপন্ন।
এই হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যে এক মহাপ্রলয়ের আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিশেষ করে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া ৪৮ ঘণ্টার আল্টিমেটাম এবং ইরানের এই সরাসরি পাল্টা আঘাত পরিস্থিতিকে নিয়ন্ত্রণের বাইরে নিয়ে যাচ্ছে। পারমাণবিক স্থাপনার নিকটবর্তী এলাকায় এই বিস্ফোরণগুলো বৈশ্বিক নিরাপত্তার জন্যও বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সমন্বয় সাপেক্ষে বিদেশি জাহাজ চলাচলে বাধা নেই: ইরান
