ইরানের ক্লাস্টার বোমা হামলায় ইসরায়েলে আহত ১৫

আপডেট : ২৩ মার্চ ২০২৬, ১২:৪৬ এএম

ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইরানের ছোড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থেকে নিক্ষিপ্ত ক্লাস্টার মিউনিশন আঘাত হানলে অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। এদের মধ্যে একজনের অবস্থা গুরুতর। 

রোববার (২২ মার্চ) এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে জরুরি সেবা সংস্থাগুলো।

ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবে ও আশপাশের এলাকায় বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে এসব বোমার খণ্ডাংশ (বোম্বলেট)। এতে বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও সড়কের ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, আহতদের মধ্যে সাতজনকে তেল আবিবের সোরাস্ক মেডিক্যাল সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে চারজনের অবস্থা মাঝারি ধরনের গুরুতর।

ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা ম্যাগান ডেভিড অ্যাডম জানিয়েছে, সবচেয়ে গুরুতর আহত ব্যক্তি একজন ৫৩ বছর বয়সী পুরুষ।

এছাড়া জাফ্ফা এলাকায় একটি আবাসিক ভবনে ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত লাগে এবং পেটা তিকভা-তে একটি আবাসিক এলাকায় আগুনের সূত্রপাত হয়। তবে এসব স্থানে গুরুতর হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

একই দিনে ভোরের দিকে চালানো প্রথম হামলাতেও ক্লাস্টার বোমা ব্যবহারের আশঙ্কা করা হচ্ছে। সেখানে একটি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

এদিকে দক্ষিণাঞ্চলের শহর ডিমোনা ও আরাদে পূর্বের হামলায় আহতদের মধ্যে এখনো ৩৬ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন, যাদের মধ্যে ১৯ জন শিশু।

রোববার ভোর থেকে এ পর্যন্ত অন্তত চার দফা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এতে ইসরায়েলের বিভিন্ন অঞ্চলে সাইরেন বেজে ওঠে এবং লাখো মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে বাধ্য করে। তবে এসব অতিরিক্ত হামলায় তাৎক্ষণিক কোনো বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু বলেন, ‘যদি কেউ আশ্রয়কেন্দ্রে থাকে, তাহলে সে নিরাপদ থাকবে।’

বিশ্লেষকদের মতে, ক্লাস্টার মিউনিশন ব্যবহারের কারণে হামলার ঝুঁকি ও ক্ষয়ক্ষতির পরিধি অনেক বেশি বেড়ে যায়, কারণ এসব অস্ত্র বিস্তৃত এলাকাজুড়ে ছোট ছোট বিস্ফোরক ছড়িয়ে দেয়।

HN
আরও পড়ুন