হরমুজ প্রণালির বর্তমান পরিস্থিতিকে ‘চরম উদ্বেগজনক’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব শিপিংয়ের (আইসিএস) হবু চেয়ারম্যান জন ডেনহোম। মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) হংকং শিপওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে সংবাদ ব্রিফিংকালে তিনি বলেন, ইরানি বন্দরগুলো থেকে বেরিয়ে আসা ট্যাঙ্কারগুলোর ওপর মার্কিন অবরোধ আরোপের পরিকল্পনা একটি বড় ধরনের ‘পশ্চাৎপদ পদক্ষেপ’।
ডেনহোম জানান, যুদ্ধবিরতি শুরু হওয়ার সময় আইসিএস বেশ আশাবাদী ছিল, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি আশাব্যঞ্জক নয়। তিনি একে একটি ‘সাময়িক জটিলতা’ হিসেবে অভিহিত করে দ্রুত হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ওপর জোর দেন। তার মতে, এই সমস্যার সমাধান সম্পূর্ণভাবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের ওপর নির্ভর করছে এবং বাকি বিশ্ব বর্তমানে কেবল দর্শক হিসেবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে।
আন্তর্জাতিক জলসীমায় নিরাপদ চলাচলের জন্য টোল বা ফি আদায়ের কড়া সমালোচনা করেন ডেনহোম। ইরান বর্তমানে হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ করে রেখেছে এবং সেখান দিয়ে জাহাজ চলাচলের জন্য তেহরানের সঙ্গে সমন্বয় ও ফি প্রদানের শর্ত জুড়ে দিয়েছে। আইসিএস প্রধান একে অগ্রহণযোগ্য উল্লেখ করে জিব্রাল্টার প্রণালি বা ইংলিশ চ্যানেলের উদাহরণ টেনে বলেন, আন্তর্জাতিক রুটে এমন ফি আদায় কোনোভাবেই কাম্য নয়।
বর্তমানে আইসিএসের প্রধান অগ্রাধিকার হচ্ছে ওই অঞ্চলে অবস্থানরত নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। পারস্য উপসাগরে আটকা পড়া প্রায় ২০ হাজার নাবিক চরম মানসিক চাপের মধ্য দিয়ে সময় পার করছেন বলে তিনি উল্লেখ করেন। যদিও তারা সরাসরি কোনো বিপদে নেই, তবে যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জাহাজে আটকা থাকাটা অত্যন্ত পীড়াদায়ক।
উল্লেখ্য, আইসিএস বিশ্বের বাণিজ্যিক জাহাজবহরের ৮০ শতাংশের বেশি প্রতিনিধিত্বকারী একটি শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য ফেডারেশন।
সূত্র: সিএনএন
পাবলো এসকোবারের আনা ৮০ জলহস্তী মেরে ফেলবে কলম্বিয়া
