ইউক্রেনের মধ্য-পূর্বাঞ্চলীয় শহর দনিপ্রোতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে রাশিয়া।
মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে সংঘটিত এ হামলায় অন্তত ৫ জন নিহত এবং ২৭ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।
ইউক্রেনের বিমানবাহিনী হামলার আগে শহরটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ধেয়ে আসার সতর্কবার্তা দেয়। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১১টার দিকে শহরে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
দনিপ্রোপেত্রোভস্ক অঞ্চলের গভর্নর ওলেক্সান্দর হানঝা জানান, আহতদের মধ্যে অন্তত ২১ জনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে এবং তাদের মধ্যে ১০ জনের অবস্থা গুরুতর। পরে আরও একজনের মৃত্যু হওয়ায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৫ জনে দাঁড়ায়।
হামলার সময় অনেকেই রাস্তায় বা গাড়ির ভেতরে ছিলেন, ফলে হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে। ক্ষেপণাস্ত্রটি বেসামরিক অবকাঠামোতে আঘাত হানে এবং একাধিক যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পাশাপাশি একটি গ্যাস স্টেশনেও আঘাত হানলে সেখানে আগুন ধরে যায় বলে জানিয়েছে জরুরি সেবা বিভাগ।
এই হামলা ঘটে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ঘোষিত অস্থায়ী ইস্টার যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার পরপরই। পুতিন ৯ এপ্রিল যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দিলেও ইউক্রেনের অভিযোগ, ঘোষিত সময়ের মধ্যেই রুশ বাহিনী তা হাজার হাজারবার লঙ্ঘন করেছে।
এদিকে একই দিনে খারকিভ অঞ্চলেও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে গ্লাইড বোমা হামলা চালায় রাশিয়া। আঞ্চলিক গভর্নর ওলেহ সিনাইহুবভ জানান, চুহুইভ জেলার পেচেনিহি বাঁধকে লক্ষ্য করে ছয়টি বোমা নিক্ষেপ করা হয়। তবে সৌভাগ্যক্রমে বাঁধটি বড় ধরনের ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, বাঁধটি ধ্বংস হলে বসন্তকালীন উচ্চ পানিস্তরের কারণে ভয়াবহ বন্যা ও পরিবেশগত বিপর্যয় দেখা দিতে পারত।
এছাড়া হামলায় রাশিয়া ‘মলনিয়া’ ধরনের ড্রোন এবং ইরানি নকশার ‘শাহেদ’ ড্রোন ব্যবহার করেছে বলেও জানিয়েছে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী। সূত্র: কিয়েভ ইন্ডিপেনডেন্ট
ইসরায়েলগামী অস্ত্রের চালান বেলজিয়ামে জব্দ