দ্বিতীয় দফা শান্তি আলোচনায় অংশ নেওয়ার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের দাবিকে সরাসরি নাকচ করেছে ইরান। দেশটির দাবি, এ নিয়ে ওয়াশিংটনের দেওয়া তথ্য বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এক প্রতিবেদনে জানায়, যুক্তরাষ্ট্রের ‘মাত্রাতিরিক্ত দাবি, অবাস্তব প্রত্যাশা, অবস্থানে ঘন ঘন পরিবর্তন এবং স্ববিরোধী আচরণ’ আলোচনার অগ্রগতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ইরান আরও অভিযোগ করেছে, চলমান নৌ অবরোধ বর্তমান যুদ্ধবিরতি চুক্তির লঙ্ঘন। একই সঙ্গে ইসলামাবাদে দ্বিতীয় দফা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার যে খবর প্রকাশিত হয়েছে, সেটিকেও ‘ভিত্তিহীন’ বলে উল্লেখ করেছে সংস্থাটি।
তেহরানের মতে, এ ধরনের বক্তব্য যুক্তরাষ্ট্রের ‘মিডিয়া কৌশল’, যার উদ্দেশ্য ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি করা।
এর আগে রোববার (১৯ এপ্রিল) সকালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিরসনে ইরানের সঙ্গে আলোচনার জন্য ইসলামাবাদে একটি মার্কিন প্রতিনিধি দল পাঠানো হচ্ছে।
তিনি জানান, সোমবার সন্ধ্যার মধ্যে ওই প্রতিনিধিরা সেখানে পৌঁছাবেন। উল্লেখ্য, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হওয়ার কথা।
নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প প্রথমে বলেন, আগের ব্যর্থ আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়া ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবার অংশ নিচ্ছেন না। তবে পরে হোয়াইট হাউসের অবস্থান পরিবর্তন হয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স, বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ এবং ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কুশনার আলোচনায় অংশ নেবেন।
এর আগে ১১ ও ১২ এপ্রিল অনুষ্ঠিত বৈঠকেও এই তিনজন উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: আল জাজিরা
যুদ্ধবিরতিতে অস্ত্রের মজুত বাড়াচ্ছে ইরান