লেবাননের দক্ষিণাঞ্চলে একটি ধর্মীয় উপাসনালয় (মঠ) ক্ষতিগ্রস্ত করার কথা স্বীকার করেছে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। ইয়ারুন গ্রামে পরিচালিত এক অভিযানে এই ঘটনা ঘটে।
তবে একটি ক্যাথলিক দাতব্য সংস্থা এই হামলাকে ‘পরিকল্পিত’ বলে আখ্যা দিয়ে তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
শনিবার (২ মে) ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়, দক্ষিণ লেবাননের ইয়ারুন গ্রামে হিজবুল্লাহর ‘সন্ত্রাসবাদী অবকাঠামো’ ধ্বংস করার সময় একটি ধর্মীয় চত্বরের ভেতর অবস্থিত একটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর আরবি ভাষার মুখপাত্র অভিচাই আদরায়ি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্স-এ এক বিবৃতিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
মুখপাত্র আদরায়ি দাবি করেছেন, প্রাথমিকভাবে ওই ভবনটিতে ধর্মীয় স্থাপনার কোনো দৃশ্যমান চিহ্ন বা বৈশিষ্ট্য ছিল না।
তিনি বলেন, ‘অভিযান চলাকালীন একটি ধর্মীয় চত্বরের ভেতরের একটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে সেখানে কোনো ধর্মীয় প্রতীক দেখা যায়নি।
পরবর্তীতে যখন অন্য একটি ভবনে স্পষ্ট ধর্মীয় চিহ্ন দেখা যায়, তখন সেনারা ওই চত্বরের আর কোনো ক্ষতি না করতে সতর্ক অবস্থান নেয়।’
ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয় যে, হিজবুল্লাহ ওই ধর্মীয় চত্বরকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে সেখান থেকে ইসরায়েলি ভূখণ্ডে রকেট হামলা চালিয়ে আসছিল।
এদিকে একটি আন্তর্জাতিক ক্যাথলিক দাতব্য সংস্থা ক্ষতিগ্রস্ত ভবনটিকে একটি কনভেন্ট বা মঠ হিসেবে শনাক্ত করেছে।
সংস্থাটি ইসরায়েলি বাহিনীর এই দাবি প্রত্যাখ্যান করে বলেছে, উপাসনালয় লক্ষ্য করে এই হামলা ছিল পুরোপুরি ‘পরিকল্পিত’। যুদ্ধবিরতি বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও ধর্মীয় স্থাপনায় এমন হামলায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
উল্লেখ্য, লেবানন ও ইসরায়েলের মধ্যে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি চললেও সীমান্ত এলাকায় প্রায়ই সংঘর্ষ ও হামলার খবর পাওয়া যাচ্ছে। ধর্মীয় স্থাপনায় এই আঘাত নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলল। এএফপি ও এক্স (টুইটার)
ভোট গণনার আগে কঠোর বার্তা দিলেন মমতা
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা রুখতে চীনের পাল্টা পদক্ষেপ
বিশ্বজুড়ে ভয়াবহ খাদ্য সংকটের আশঙ্কা