সরাসরি বৈঠকের আগে বোমা হামলা বন্ধ চায় লেবানন

আপডেট : ১০ মে ২০২৬, ০২:০৩ পিএম

আগামী চার দিনের মধ্যে শুরু হতে যাওয়া শান্তি আলোচনার মূল লক্ষ্য হলো বর্তমানে নামমাত্র টিকে থাকা যুদ্ধবিরতিকে দীর্ঘস্থায়ী রূপ দেওয়া। তবে আলোচনার টেবিল প্রস্তুত হলেও মাঠের পরিস্থিতি এখনো থমথমে। ইসরায়েল দক্ষিণ লেবাননে এখনো ব্যাপক বোমা হামলা চালাচ্ছে এবং তাদের ভাষায় ‘আত্মরক্ষার’ অজুহাতে দখলদারি বজায় রেখেছে।

এই আলোচনার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে হিজবুল্লাহ ইস্যু। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল চায় লেবানন সরকার হিজবুল্লাহকে নিয়ন্ত্রণ, দমন এবং শেষ পর্যন্ত নিরস্ত্রীকরণে আরও কঠোর ভূমিকা পালন করুকযা যুদ্ধবিরতি চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল। যদিও লেবানন সরকার হিজবুল্লাহকে সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে, যা দেশটির ইতিহাসে এক নজিরবিহীন পদক্ষেপ, তবুও তাদের নিরস্ত্রীকরণ করার মতো সামরিক সক্ষমতা বা রাজনৈতিক সদিচ্ছা সরকারের আছে কি না, তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে।

লেবানন সরকারের চাওয়া খুবই স্পষ্ট। তারা চায়:

  • ইসরায়েলি বোমা হামলা সম্পূর্ণ বন্ধ হোক।
  • দক্ষিণ লেবানন থেকে ইসরায়েলি সেনা প্রত্যাহার করা হোক।
  • যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলের পুনর্গঠন এবং বাস্তুচ্যুত মানুষের ঘরে ফেরা নিশ্চিত করা হোক।
  • বন্দীদের মুক্তি দেওয়া হোক।

তবে সাধারণ লেবাননিদের মধ্যে একটি বিষয়ে তীব্র আপত্তি রয়েছে। অধিকাংশ মানুষই প্রেসিডেন্ট আউন এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর মধ্যে কোনো ‘সরাসরি’ বা মুখামুখি বৈঠকের পক্ষপাতি নন। বর্তমান পরিস্থিতিতে এ ধরনের বৈঠক লেবাননের জনগণের জন্য মেনে নেওয়া প্রায় অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। সূত্র: আলজাজিরা

SN
আরও পড়ুন