পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকার পেট্রোল ও ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৫ পাকিস্তানি রুপি কমিয়েছে।
শুক্রবার (১৫ মে) পেট্রোলিয়াম ডিভিশনের পক্ষ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তেলের এই নতুন দাম ১৬ মে থেকে কার্যকর হয়েছে। এই দাম কমার পর দেশটিতে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম দাঁড়িয়েছে ৪০৯ রুপি ৭৮ পয়সা এবং হাই-স্পিড ডিজেলের দাম দাঁড়িয়েছে ৪০৯ রুপি ৫৮ পয়সা।
ইরানের সাথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এবং বর্তমানে স্থগিত থাকা যুদ্ধের পর থেকে পাকিস্তান সরকার প্রতি শুক্রবার রাতে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করে আসছে।
ওই যুদ্ধের কারণে হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির তীব্র সঙ্কট তৈরি হয়েছিল, যার মধ্য দিয়ে শান্তিকালীন সময়ে বিশ্বের মোট তেল ও গ্যাসের পাঁচ ভাগের এক ভাগ পার হতো।
যুদ্ধ শুরুর পর গত ৬ মার্চ পাকিস্তান সরকার প্রথম দফায় পেট্রোল ও ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৫৫ রুপি বাড়িয়েছিল এবং ৯ মার্চ নজিরবিহীন সাশ্রয়ী নীতি ঘোষণা করেছিল।
এর ঠিক আগের সপ্তাহেও সরকার পেট্রোলের দাম লিটারে ১৪ রুপি ৯২ পয়সা এবং ডিজেলের দাম ১৫ রুপি বৃদ্ধির অনুমোদন দিয়েছিল।
পরবর্তী সপ্তাহগুলোতে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়া সত্ত্বেও দেশটির প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ তিনবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর সুপারিশ প্রত্যাখ্যান করেছিলেন।
তবে গত ২ এপ্রিল পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী আলি পারভেজ মালিক ও অর্থমন্ত্রী মুহাম্মদ আওরঙ্গজেব পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ৪৩ শতাংশ ও ৫৫ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেন।
একইসাথে মন্ত্রীরা একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যভিত্তিক জ্বালানি ভর্তুকি কর্মসূচির কথাও জানান। অবশ্য এর ঠিক এক দিন পর প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ পেট্রোলিয়াম লেভি লিটারপ্রতি ৮০ রুপি কমিয়ে আনেন এবং পেট্রোলের দাম ৩৭৮ রুপিতে নামিয়ে আনেন।
পরবর্তীতে গত ১০ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী ডিজেল ও পেট্রোলের দাম আরো এক দফা কমিয়ে আনেন। সূত্র : ডন
ভারতে নবম-দশম শ্রেণিতে ৩টি ভাষা বাধ্যতামূলক
ভারত কূটনৈতিক ও রাজনৈতিকভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ছে