ভারতের কেরালার রাজনীতিতে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন প্রবীণ কংগ্রেস নেতা ভি ডি সতীশন। রাজনৈতিক বই
সোমবার (১৮ মে) তিরুবনন্তপুরমের সেন্ট্রাল স্টেডিয়ামে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়।
মুখ্যমন্ত্রী সতীশনের পাশাপাশি তার ২০ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রিসভাও আজ পদ ও গোপনীয়তার শপথ নেন।
নতুন এই মন্ত্রিসভায় অভিজ্ঞ ও তরুণ প্রজন্মের মেলবন্ধন ঘটানো হয়েছে। ২০ সদস্যের এই ক্যাবিনেটে কংগ্রেসের হেভিওয়েট নেতা রমেশ চেন্নিথালা, কে মুরলীধরণ এবং কেপিসিসি প্রধান সানি জোসেফ স্থান পেয়েছেন।
এ ছাড়া জোটসঙ্গী ‘ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ’র শীর্ষনেতা পি কে কুনহালিকুট্টি, পি কে বশির, এন সামসুদ্দিন, কে এম শাজি, ভি ই আব্দুল গফুর ও টি সিদ্দিক মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন। এরা সকলেই মুসলিম।
মন্ত্রিসভার অন্য সদস্যরা হলেন— মন্স জোসেফ, শিবু বেবি জন, অনুপ জ্যাকব, সি পি জন, এ পি অনিল কুমার, পি সি বিষ্ণুনাথ, রোজি এম জন, বিন্দু কৃষ্ণা, এম লিজু, কে এ তুলসী এবং ও জে জনীশ।
শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতির শীর্ষ নেতৃত্বের এক মহাসমাবেশ দেখা যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধি এবং ওয়ায়নাডের সাংসদ প্রিয়াঙ্কা গান্ধি, তেলঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী এ রেবন্ত রেড্ডি, কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারামাইয়া এবং উপ-মুখ্যমন্ত্রী ডি কে শিবকুমার।
তবে প্রশাসনিক ব্যস্ততা এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী বিজয় এই শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পারেননি।
১৯৬৪ সালে কোচির কাছে নেত্তুরে জন্মগ্রহণ করা ভি ডি সতীশন নেহরুবাদী ভাবধারায় গভীরভাবে বিশ্বাসী। তিনি এরনাকুলাম জেলার পরাভুর কেন্দ্র থেকে টানা ছয়বারের বিধায়ক। রাজনীতিতে পুরোদস্তুর যুক্ত হওয়ার আগে তিনি একজন সমাজকর্মী এবং পেশাদার আইনজীবী ছিলেন।
কেরালা হাইকোর্টে প্রায় এক দশক ওকালতি করার অভিজ্ঞতা রয়েছে তার। বিদায়ী বিধানসভায় তিনি বিরোধী দলনেতার ভূমিকা পালন করেছিলেন, যা তাকে আজ রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদে বসাতে সাহায্য করল। সূত্র : ইটিভি ভারত