যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান পরোক্ষ আলোচনায় দুই পক্ষের কাছেই এখন জনগণের ধারণা বা ‘পাবলিক পারসেপশন’ একটি মস্ত বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ, কোনো পক্ষই জনগণের সামনে নিজেদের পরাজিত বা দুর্বল হিসেবে দেখাতে রাজী নয়।
কাতার-ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মার্কিন থিংক ট্যাংক ‘ক্যাটো ইনস্টিটিউট’ -এর সিনিয়র ফেলো ডগ ব্যান্ডো এই মন্তব্য করেছেন।
ডগ ব্যান্ডো বলেন, কোনো পক্ষই এমন ভাব দেখাতে চায় না যে তারা অপর পক্ষের কাছে নতি স্বীকার করছে। ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক ভাষা ব্যবহার করে বলতে গেলে, তারা কেউই নিজেদের ‘পরাজিত’ হিসেবে জাহির করতে চান না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ব্যক্তিগত বা গোপন আলোচনায় তারা হয়তো বড় কোনো চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য ছাড় দিতে প্রস্তুত, কিন্তু জনসমক্ষে তারা নিজেদের রাজনৈতিক সুরক্ষা চান। তারা চান না যে অন্য পক্ষ তাদের হারিয়ে দেওয়ার বড়াই বা আনন্দ প্রকাশ করুক। তাই লোকচক্ষুর সামনে দুই পক্ষই অত্যন্ত সাহসী ও অনমনীয় ভাব ধরে রাখছে।
ডগ ব্যান্ডো আশা প্রকাশ করে বলেন, আমার প্রত্যাশা হলো—উভয় পক্ষই গোপনে একে অপরকে কিছু বিষয়ে ছাড় দিতে তৈরি থাকবে এবং পরবর্তীতে কীভাবে এই চুক্তিটি জনগণের সামনে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও গ্রহণযোগ্য উপায়ে উপস্থাপন করা যায়, তা নিয়ে আলোচনা করবে। এর ফলে জনসমক্ষে দুই পক্ষই নিজেদের বিজয়ী হিসেবে দাবি করতে পারবে। সূত্র: আল জাজিরা
উপসাগরে নিখোঁজ বলিভিয়ার ২ জাহাজ, অনুসন্ধানে ইরাকের তৎপরতা