কিউবার প্রেসিডেন্টের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলো যুক্তরাষ্ট্র

আপডেট : ০৫ জুন ২০২৬, ১২:০২ পিএম

কিউবার প্রেসিডেন্ট মিগেল দিয়াজ-কানেল এবং তার স্ত্রীসহ বেশ কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মার্কিন ট্রেজারি ডিপার্টমেন্টের ওয়েবসাইটে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

মার্কিন প্রশাসনের নতুন এই নিষেধাজ্ঞার তালিকায় প্রেসিডেন্ট দিয়াজ-কানেল ছাড়াও ৪ জন ব্যক্তি ও ৫টি প্রতিষ্ঠান রয়েছে।

এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন- প্রেসিডেন্টের স্ত্রী লিস কুয়েস্তা পেরাজা, কিউবার ঐতিহাসিক কাস্ত্রো পরিবারের দুই সদস্য, দেশটির বিপ্লবী সশস্ত্রবাহিনী মন্ত্রণালয়।

নিষেধাজ্ঞা জারির পর ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, যুক্তরাষ্ট্র কিউবাকে ‘একটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত দেশ’ হিসেবে দেখতে চায়।

৬৬ বছর বয়সী দিয়াজ-কানেল ২০১৮ সালে রাউল কাস্ত্রোর কাছ থেকে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে কিউবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করছেন।

যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপকে ‘জঘন্য’ বলে আখ্যা দিয়েছেন কিউবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ব্রুনো রদ্রিগেজ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি একে মার্কিন হস্তক্ষেপের সর্বশেষ উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দুই দেশের মধ্যে সংঘাত তৈরির লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপই ব্যর্থ হতে বাধ্য।

কিউবান নেতাদের ওপর ওয়াশিংটনের চাপ সৃষ্টির এটিই প্রথম ঘটনা নয়।

এর আগে গত মাসেও কিউবার যোগাযোগমন্ত্রী, বেশ কয়েকজন সামরিক কর্মকর্তা ও প্রধান গোয়েন্দা সংস্থাসহ ১১ জন কর্মকর্তার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্র। এ ছাড়া ১৯৯৬ সালের একটি বিমান ভূপাতিত করার ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কিউবার সাবেক নেতা রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও দায়ের করেছে মার্কিন প্রশাসন। সূত্র: রয়টার্স

YA
আরও পড়ুন