মিসরের ভূমধ্যসাগরীয় দামিয়েত্তা বন্দরে একটি মার্কিন মালিকানাধীন তেলবাহী ট্যাংকারে ভয়াবহ ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।
সামুদ্রিক নিরাপত্তা সংস্থা অ্যামব্রে জানিয়েছে, হামলাটি ভাসমান ট্যাংকার ‘এনার্গোস উইন্টার’-এ আঘাত হানলে মুহূর্তেই আগুন ধরে যায়।
বন্দরসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ইঞ্চকেপ জানিয়েছে, পরবর্তীতে সেই আগুন কাছে থাকা ‘গ্যাসলগ সালেম’ নামক অপর একটি গ্যাসবাহী জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে।
বাণিজ্যিক নিরাপত্তা সূত্র নিশ্চিত করেছে, দুটি পৃথক ড্রোন হামলার কারণেই এই অনাকাঙ্ক্ষিত বিস্ফোরণ ঘটে।
বিস্ফোরণের পরপরই দ্রুত সব কর্মীদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ফায়ার সার্ভিসের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে এই ভয়াবহ ড্রোন হামলার দায় এখন পর্যন্ত কোনো গোষ্ঠী বা দেশ স্বীকার করেনি।
অন্যদিতে, জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ইরান একাধিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর চেষ্টা করার পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানার আগেই সফলভাবে মাঝআকাশে ভূপাতিত করা হয়।
সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন বাহিনীকে লক্ষ্য করে আকস্মিক হামলা চালানোর জন্য তেহরানকে চরম মূল্য দিতে হবে।
তিনি আরও হুঁশিয়ারি দেন যে, মার্কিন সেনারা এর জবাবে তাদের ওপর অত্যন্ত কঠোর ও ভয়াবহ সামরিক আক্রমণ চালাবে।
তথ্যসূত্র: রয়টার্স ও ফক্স নিউজ
দুপুর ১টার মধ্যে ৯ জেলায় ঝড়ের পূর্বাভাস, সতর্কবার্তা!
আজ ঢাকা সফরে আসছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর
কেন হরমুজ প্রণালির একক নিয়ন্ত্রণ চায় ইরান?
বাংলা ভাষা ও মুসলিম পরিচয়েই বিপত্তি: ভারতীয় নারীকে বাংলাদেশে ‘পুশইন’