সেউটা সীমান্তে অনিয়মিত অভিবাসন চেষ্টা: নিহত বেড়ে ১৪

আপডেট : ০৮ আগস্ট ২০২৬, ০৬:৩৬ এএম

স্পেন নিয়ন্ত্রিত সেউটা ছিটমহলে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় গণ-অনুপ্রবেশের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৪ জনে দাঁড়িয়েছে। 

শুক্রবার (৭ আগস্ট) এক বিবৃতিতে মরক্কোর জাতীয় মানবাধিকার পরিষদ (সিএনডিএইচ) নতুন করে আরও তিনজনের মৃত্যুর বিষটি নিশ্চিত করে। 


অন্যদিকে স্পেনের সরকারি তথ্যের বরাতে সংস্থাটি জানিয়েছে, সীমান্ত সংঘর্ষ ও অনাহারে মোট নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৮০ জনে।

অভিযোগ উঠেছে, অনিয়মিত অভিবাসীদের এই মানবিক সংকট মোকাবিলায় মারাত্মক ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে সেউটা কর্তৃপক্ষ। 

সিএনডিএইচ জানায়, ছিটমহলে প্রবেশের পর রেস্তোরাঁ ও দোকানপাট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়, যার ফলে অভিবাসীরা খাবার ও পানির চরম সংকটে পড়েন।

শুধু খাদ্য সংকটই নয়, সেউটার ভেতরে থাকা আশ্রয়প্রার্থীদের বর্ণবাদ ও পর্যাপ্ত সুরক্ষাহীনতার মুখে পড়তে হয়েছে বলে দাবি করেছে সংস্থাটি।

এছাড়া পর্যাপ্ত চিকিৎসার অভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল ও মানবিক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিয়েছে।

পুরো সহিংসতায় বেসামরিক নাগরিক ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বহু সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন।

তথ্যমতে, ১৩৬ জন বেসামরিক ব্যক্তি আহতের পাশাপাশি মরক্কোর নিরাপত্তা বাহিনীর ৮৭ জন সদস্যকে জরুরি চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, তবে স্পেনের হতাহতের তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে অভিযান চালিয়ে অন্তত ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যাদের মধ্যে ১১ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক।

 

সীমান্তে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি ও নিরাপত্তার খাতিরে এ পর্যন্ত ৬১টি ব্যক্তিগত গাড়ি, ১৫টি মোটরসাইকেল এবং ১৮টি সরকারি যান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার তথ্য মিলেছে।

গত ২৯ থেকে ৩১ জুলাই হাজার হাজার মানুষের অনিয়মিত সীমান্ত পেরোনোর চেষ্টার পর অধিকাংশ অনাহারি অভিবাসী ফনিদেক শহরে ফিরে যান। 

সোমবারের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৬৯ হাজার মানুষ মরক্কোয় ফেরত গেলেও এখনো সেউটার ভেতরে ৩ থেকে ৫ হাজার অভিবাসী আটকা পড়ে আছেন।

সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি

HN
আরও পড়ুন