৩০ সেপ্টেম্বরের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে সকল আধাসামরিক উপদলকে সরকারি নিরাপত্তা কাঠামোর অধীনে আসার নির্দেশ দিয়েছে বাগদাদ।
স্বাধীন অস্ত্রাগার সমর্পণের এই সিদ্ধান্তের ওপর বার্তা দিয়ে ইরান স্পষ্ট করেছে যে, তারা ইরাকের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে কোনো হস্তক্ষেপ করবে না।
ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার ও দেশটির প্রধান মধ্যস্থতাকারী মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ইরাকি উপদল ও বাগদাদ সরকারের মধ্যবর্তী যেকোনো সমঝোতাকে তারা পূর্ণ সমর্থন জানাবে।
সম্প্রতি যৌথ মার্কিন-সৌদি বিমান হামলার পর আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে এই কূটনৈতিক প্রতিক্রিয়া সামনে এলো।
ইরাক ভূখণ্ড ব্যবহার করে সৌদি আরবের তেল অবকাঠামো ও মার্কিন ঘাঁটিতে ড্রোন হামলা চালানোর অভিযোগে জুলাই মাসে একাধিক মিলিশিয়া সদর দফতরে শক্তিশালী হামলা চালানো হয়।
এ ঘটনার পরই নিজেদের দেশে সব ধরনের অস্ত্র কেন্দ্রীভূত করার প্রক্রিয়া দ্রুত ত্বরান্বিত করে ইরাক সরকার।
সংকটে পড়া সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর বেশিরভাগই শিয়া সম্প্রদায়ভুক্ত, যাদের একাধিক দলের সাথে ইরানের ঘনিষ্ঠ আদর্শগত সংযোগ রয়েছে।
তবে জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সরকারি রাষ্ট্রীয় কমান্ডের অধীনে সামরিক শক্তি হস্তান্তরে ইতোমধ্যে সরায়া আল-সালাম, আসাইব আহল আল-হক এবং কাইব আল-ইমাম আলীর মতো শক্তিগুলো সম্মতি জানিয়েছে।
অন্যদিকে এই নিরস্ত্রীকরণ নির্দেশ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে শক্তিশালী দুই গোষ্ঠী—কাতাইব হিজবুল্লাহ এবং হারাকাত আল-নুজাবা।
তাদের দাবি, যেকোনো বহিঃশত্রুর আক্রমণ প্রতিহত করতে তাদের নিজস্ব সামরিক সক্ষমতা ও অস্ত্রাগার বজায় রাখা অপরিহার্য।
তথ্যসূত্র: আল জাজিরা
২৩তম রাষ্ট্রপতিকে চীন ও যুক্তরাজ্যের অভিনন্দন
মির্জা ফখরুলকে ভারতের রাষ্ট্রপতির অভিনন্দন
মক্কায় বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ বারবারশপ '৩০ ডিগ্রিজ'