ইরানকে ‘মধ্যপ্রাচ্যে আধিপত্য বিস্তারকারী রাষ্ট্র’ হিসেবে উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেছেন, দেশটি কাতার, বাহরাইন, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো রাষ্ট্রগুলোর বিরুদ্ধেও হামলা চালিয়েছে, যদিও এসব দেশের সঙ্গে ইরানের ঘনিষ্ঠ সমর্থনমূলক সম্পর্ক ছিল না।
মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, যুক্তরাষ্ট্র সামরিকভাবে হস্তক্ষেপ না করলে ইরান ওই দেশগুলোর ওপর আরও বড় ধরনের হামলা চালিয়ে সেগুলোকে ধ্বংস করে দিতে পারত। এমনকি যুক্তরাষ্ট্রের ভূখণ্ডে হামলার প্রস্তুতিও ইরান নিচ্ছিল বলে তিনি দাবি করেন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি থেকে বিরত রাখতে প্রয়োজন হলে তিনি আরও একশবার সামরিক হামলা চালাতেও প্রস্তুত ছিলেন। তার দাবি, যুক্তরাষ্ট্রের এই পদক্ষেপ না থাকলে ইসরাইলসহ পুরো মধ্যপ্রাচ্য আজ ভয়াবহ ধ্বংসের মুখে পড়ত।
একটি রেডিও সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পর্যায়ে পৌঁছাতে আর মাত্র দুই সপ্তাহ দূরে ছিল। এ পরিস্থিতিতেই তিনি দেশটির পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে হামলার নির্দেশ দেন। তিনি দাবি করেন, মার্কিন হামলার ফলে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
একই সঙ্গে দেশটির অর্থনীতিও ধসের কাছাকাছি পৌঁছেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। গণমাধ্যমে যে চিত্র উঠে আসছে, তার সঙ্গে বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই দাবি করে ট্রাম্প আরও বলেন, হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের হাতেই রয়েছে।
মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বিশ্বের সব দেশের বিরুদ্ধে ‘যুদ্ধ ঘোষণা’
চ্যাটজিপিটিতে হত্যার পরিকল্পনা, গোয়েন্দাদের জানালো এআই