তুর্কি সীমান্তের কাছে একটি সিরীয় বিমানঘাঁটিতে ইসরায়েলি হামলার পর উত্তেজনা কমাতে জর্ডানে জরুরি বৈঠকে বসেছেন সিরিয়া ও ইসরায়েলের প্রতিনিধিরা।
সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদ আল-শাইবানি জর্ডানের রাজধানী আম্মানে ইসরায়েলি গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন বলে দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম নিশ্চিত করেছে।
সিরিয়ার সানা নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, মার্কিন মধ্যস্থতায় আয়োজিত এই বৈঠকে উচ্চপর্যায়ের একটি ইসরায়েলি প্রতিনিধিদল অংশ নেয়। বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়, বৈঠকে ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের প্রধান রোমান গোফম্যানের মুখোমুখি হন সিরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
সানার বরাতে জানা যায়, বৈঠকে মূল আলোচনা ছিল সিরিয়ার ওপর হামলা ও গ্রেপ্তার অভিযান বন্ধ করার কার্যকর উপায় বের করা এবং দুদেশের মধ্যে স্থায়ী নিরাপত্তা চুক্তি বাস্তবায়নের আলোচনা পুনরুজ্জীবিত করা। এছাড়া ইসরায়েল ও তুরস্কের মধ্যকার দ্বন্দ্ব যাতে সিরিয়ার মাটিতে ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়েও কথা হয়।
দীর্ঘদিন ধরে চলা উত্তেজনার মাঝে সিরিয়ায় নিজেদের সার্বভৌমত্ব বজায় রাখার ওপর জোর দিয়েছে দামেস্ক। সিরিয়া স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, নিজেদের জাতীয় সেনাবাহিনী গড়ে তোলা এবং আঞ্চলিক অংশীদার ঠিক করার পূর্ণ অধিকার সিরিয়ার রয়েছে। এসব সার্বভৌম অধিকারে আঘাত হানে-এমন কোনো শর্ত বা সমঝোতা মানা হবে না।
সিরিয়া সরকারের প্রধান দাবি হলো-ক্ষমতা পরিবর্তনের পর ইসরায়েল যেসব এলাকা দখল করেছে সেখান থেকে তাদের সেনা প্রত্যাহার করতে হবে এবং ১৯৭৪ সালের সামরিক বিরতি চুক্তি পুরোপুরি মেনে চলতে হবে। একই সাথে ইসরায়েলের দখলে থাকা গোলান মালভূমির ওপর সিরিয়ার পূর্ণ সার্বভৌমত্বের কথা পুনর্ব্যক্ত করা হয়।
অন্যদিকে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যমের দাবি, বৈঠকটি ইতিবাচক হয়েছে। তবে ইসরায়েল কিছু 'রেড লাইন' বা চূড়ান্ত শর্ত নির্ধারণ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে সিরিয়ায় তুর্কি সামরিক উপস্থিতি বন্ধ করা, গোলান মালভূমির সিরীয় অংশকে সমরাস্ত্রমুক্ত রাখা এবং সিরিয়ান বাহিনীর কৌশলগত ভারী অস্ত্র অর্জন ঠেকানো।
সূত্র: আল-জাজিরা
৬০ লাখ বাংলাদেশির 'গোপন তথ্য' এখন ডার্ক ওয়েবে!
ভারতজুড়ে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি ককরোচ জনতা পার্টির