অধ্যুষিত পশ্চিম তীরে এক খ্রিষ্টান পরিবারের বাড়ি ধ্বংস ও তাদের ফসলি জমি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে ফিলিস্তিনের চার্চ বিষয়ক প্রেসিডেন্সিয়াল উচ্চ কমিটি।
এক বিবৃতিতে কমিটি জানায়, রামাল্লার উত্তরে বীরজেইতের আল-সাকি এলাকায় খ্রিষ্টান আবেদ পরিবারের বাড়ি ও কৃষি জমি গুঁড়িয়ে দিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী।
একই সময়ে রামাল্লার পূর্বাঞ্চলীয় তায়েবেহ শহরে ইসরায়েলি দখলদারদের ক্রমাগত হুমকি ও হামলার মুখে বশির নাইম কুনা নামের আরেকটি খ্রিষ্টান পরিবার নিজেদের ঘরবাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে।
আল-বাইদার রাইটস অর্গানাইজেশনের তথ্যমতে, পৌরসভা থেকে সমস্ত আইনি অনুমতি নিয়েই দীর্ঘ ৭ বছর ধরে প্রায় তিন লাখ ডলার খরচে বাড়িটি নির্মাণ করেছিল পরিবারটি। মাত্র এক সপ্তাহ আগে নতুন বাড়িতে উঠেছিলেন তারা।
চার্চ কমিটি এই ধ্বংসযজ্ঞ ও জোরপূর্বক উচ্ছেদকে আন্তর্জাতিক আইনের চরম লঙ্ঘন হিসেবে অভিহিত করে একে ফিলিস্তিনিদের ভূমি দখলের চক্রান্ত বলে উল্লেখ করেছে। তারা স্পষ্ট করে জানায়, ফিলিস্তিনি খ্রিষ্টানদের ওপর এসব আক্রমণ পুরো ফিলিস্তিনি অস্তিত্বের ওপরই হামলা, কারণ খ্রিষ্টানেরা ফিলিস্তিনের ইতিহাস ও পরিচয়ের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ।
উল্লেখ্য, তায়েবেহ হলো ফিলিস্তিনের একমাত্র শহর যেখানে শতভাগ খ্রিষ্টান জনগোষ্ঠীর বসবাস। দখলদারদের অত্যাচার ও জমি দখলের কারণে বহু খ্রিষ্টান পরিবার এলাকা ছেড়ে চলে যেতে বাধ্য হওয়ায় সেখানে খ্রিষ্টানদের উপস্থিতি চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে সতর্ক করেছে প্রেসিডেন্সিয়াল উচ্চ কমিটি।
ইসরায়েল থেকে অপতথ্য ছড়ানোর প্রমাণ মিলেছে: স্পেনের প্রধানমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রে ভারতীয় চাকরিজীবী স্বামী-স্ত্রীর সামনে বিপদ