ভারত সফরের ভিডিওতে বলিউড গান, আলোচনায় আনোয়ার ইব্রাহিমের ‘সং ডিপ্লোম্যাসি’

আপডেট : ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:০৯ পিএম

মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের ‘সং ডিপ্লোম্যাসি’ আবারও আলোচনায় এসেছে। নয়াদিল্লিতে ১৮তম ব্রিকস সম্মেলন শেষে ভারত সফরের বিভিন্ন মুহূর্ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুলে ধরতে জনপ্রিয় বলিউডের গান ব্যবহার করেছেন তিনি।

বিশেষ করে সফরের ভিডিওতে শাহরুখ খান ও কাজল অভিনীত ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’ ব্যবহারের পর বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

ভারত মণ্ডপমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বাগত জানানোর মুহূর্তের একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। ভিডিওটির সঙ্গে তিনি ‘তুঝে দেখা তো ইয়ে জানা সানাম’ গানটি জুড়ে দেন। মোদির সঙ্গে থাকা আরেকটি মুহূর্তের ছবির জন্য ব্যবহার করেন ‘দিল তো পাগল হ্যায়’ সিনেমার একই নামের গান।

ব্রিকস সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার সময়ের ছবিগুলোর সঙ্গে যোগ করেন ২০০০ সালের ‘হর দিল জো পেয়ার করেগা’ সিনেমার টাইটেল গান। ভারত থেকে বিদায়ের ভিডিওতে বেছে নেন ‘লক্ষ্য’ সিনেমার ‘কান্ধোঁ সে মিলতে হ্যায় কান্ধে’ গানটি।

এর আগে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া সফর ঘিরেও একই ধরনের উদ্যোগ নিয়েছিলেন আনোয়ার ইব্রাহিম। ২৩ জুন নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে ‘আমার বন্ধু মহাজাদু জানে’ শিরোনামে একটি ভিডিও পোস্ট করেন তিনি। দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরের বিভিন্ন মুহূর্ত নিয়ে তৈরি ওই ভিডিওতে হাবিব ওয়াহিদ ও মেহরনিগরি রুস্তামের গাওয়া ‘মহাজাদু’ গানটি ব্যবহার করা হয়।

ভারত সফরে কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গেও দেখা করেন আনোয়ার ইব্রাহিম। বিরোধী দলের নেতাদের সঙ্গে ভোজের ছবি প্রকাশ করে তিনি ‘ভীর-জারা’ সিনেমার ‘আইসা দেশ হ্যায় মেরা’ গানটি বেছে নেন।

ইরানি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকের পোস্টেও সংগীতের মাধ্যমে বার্তা দেওয়ার নজির দেখা যায়। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবির সঙ্গে ১৯৫৭ সালের ‘নয়া দৌর’ সিনেমার ‘সাথী হাত বাড়ানা’ গানটি ব্যবহার করেন তিনি। হাতে হাত মিলিয়ে এগিয়ে যাওয়ার বার্তাসমৃদ্ধ গানটিকে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে নিজের ছবির জন্য আনোয়ার ইব্রাহিম বেছে নেন ২০০১ সালের ‘লগান’ সিনেমার ‘চালে চালো’ গানটি। একসঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার বার্তাই এতে তুলে ধরা হয়েছে।

কূটনৈতিক বার্তা তুলে ধরতে সংগীত ব্যবহারের এই প্রবণতা শুধু মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। ইন্দোনেশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুগিয়োনোও প্রেসিডেন্ট প্রবোও সুবিয়ান্তোর সফরকে ঘিরে ‘দিল ধড়কনে দো’ সিনেমার একটি বলিউড গান ব্যবহার করেছেন।

এএম
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত