সানায় হামলা হলে রিয়াদে আঘাত হানবে ইয়েমেন

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৬ এএম

সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি ‘আরামকো’র স্থাপনাগুলোর আশপাশ থেকে সব বেসামরিক নাগরিক ও কর্মচারীকে দ্রুত সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ইয়েমেনের সশস্ত্র বাহিনী। মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতময় পরিস্থিতিতে এবার সৌদির গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি অবকাঠামোকে নিজেদের বৈধ সামরিক লক্ষ্যবস্তু হিসেবে ঘোষণা করেছে সানা।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি পৃথক বিবৃতিতে ইয়েমেনের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহিয়া সারি এই সতর্কবার্তা জারি করেন। তিনি জানান, সৌদি আরবের টানা আগ্রাসনের জবাবে ইয়েমেন এখন থেকে কঠোর ও কৌশলগত পাল্টা আঘাত হানতে পুরোপুরি প্রস্তুত।

জেনালের সারি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান, সম্ভাব্য বেসামরিক প্রাণহানি এড়াতেই আরামকোর সব ধরনের সামরিক ও কৌশলগত কেন্দ্রগুলোর আশপাশ থেকে সাধারণ মানুষকে অবিলম্বে দূরে সরে যেতে হবে। একই সঙ্গে আগে আঘাত হানা কেন্দ্র এবং নতুন স্থানগুলোকেও সতর্কতার আওতায় আনা হয়েছে।

মূলত ইয়েমেনের এই চরম হুঁশিয়ারির পেছনে ছিল যুক্তরাষ্ট্র সমর্থিত সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের একটি ঘোষণা। এর আগে জোটের মুখপাত্র মেজর জেনারেল তুর্কি আল-মালিকি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি মানচিত্র প্রকাশ করে সানার আল-সাবাহা পেট্রোলিয়াম স্টেশন এলাকা খালি করার নির্দেশ দেন।

সৌদি জোটের সেই বার্তার পাল্টা জবাবে ইয়েমেনি মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারি রিয়াদকে সতর্ক করে দেন। তিনি স্পষ্ট জানান, রাজধানী সানায় হামলা চালানো হলে তার পরিণতি সরাসরি সৌদি রাজধানী রিয়াদকেই ভোগ করতে হবে এবং সেই জবাব হবে অত্যন্ত যন্ত্রণাদায়ক।

তিনি আরও সতর্ক করেন, সানায় আর কোনো আক্রমণ হলে এবার দাম্মামে অবস্থিত আরামকোর প্রধান কার্যালয়, রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর এবং রিয়াদ আরামকো শোধনাগারকে সরাসরি নিশানা করা হবে। সেই সঙ্গে সৌদির নির্দিষ্ট বিমানবন্দর ও আকাশপথ ব্যবহারে যাত্রী ও বিমান সংস্থাগুলোকেও সচেতন থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এইচএন
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত