আমিরাতের সব সমুদ্রসৈকত বন্ধ যে কারণে

আপডেট : ২৫ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৬ পিএম

সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাস আল-খাইমাহ অঞ্চলের সব সমুদ্রসৈকত পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। তবে সৈকত বন্ধের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাস আল-খাইমাহ পুলিশের জেনারেল হেডকোয়ার্টার্সের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এর আগে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) দেশটির সরকার সমুদ্রে একটি তেলবাহী ট্যাংকার থেকে তেল ছড়িয়ে পড়া ঠেকাতে অভিযান চালানোর কথা জানিয়েছিল। এ ঘটনার পর সংযুক্ত আরব আমিরাতের জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় পরিস্থিতি পর্যালোচনা শুরু করে।

মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, কারিগরি বিশেষজ্ঞদের মূল্যায়ন শেষ হওয়া এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও সামুদ্রিক সুরক্ষাব্যবস্থা নির্ধারণ না করা পর্যন্ত উম আল-কুওয়াইন শহরের আশপাশের সৈকত ও উপকূলীয় অঞ্চল বন্ধ থাকবে। এ সময় জেলে ও অন্যান্য সমুদ্র ব্যবহারকারীদের সম্ভাব্য ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা থেকে দূরে থাকার পাশাপাশি সরকারি নির্দেশনা অনুসরণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

এদিকে, শারজাহ সরকারের মিডিয়া ব্যুরো জানিয়েছে, সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে আল হামরিয়া সৈকত সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সৈকতটি উম আল-কুওয়াইনের সীমান্তসংলগ্ন উত্তর উপকূলীয় এলাকায় অবস্থিত। রাস আল-খাইমাহ তার মনোরম সৈকত ও বিলাসবহুল অবকাশকেন্দ্রের জন্য পরিচিত। অঞ্চলটিতে আল মারজান দ্বীপে উইন রিসোর্টসের একটি প্রস্তাবিত ক্যাসিনো রিসোর্ট প্রকল্পও রয়েছে।

লাস ভেগাসভিত্তিক রিসোর্ট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান উইন রিসোর্টস ২০২৪ সালে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রথম বাণিজ্যিক গেমিং লাইসেন্স পায়। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রতিষ্ঠানটি জানায়, ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যে রিসোর্টটি চালুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

অন্যদিকে, শারজাহ, আজমান ও উম আল-কুওয়াইনের কয়েকটি এলাকার বাসিন্দারা বাতাসে তীব্র ও অস্বাভাবিক দুর্গন্ধ পাওয়ার অভিযোগ করেছেন। তবে দেশটির পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের দাবি, এ ঘটনায় জনস্বাস্থ্যের জন্য কোনো ঝুঁকি শনাক্ত হয়নি।

জেএম
আরও পড়ুন