প্রবল বৃষ্টি আর ঝোড়ো হাওয়ায় কাঁপছে ভারতের অন্ধ্র প্রদেশের উপকূলীয় এলাকা। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) ভোরে রাজ্যটির ওঙ্গোলের কাছে উপকূলে আঘাত হানে। এসময় বাতাসের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত পৌঁছায়। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ভারী বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
মঙ্গলবার ভোরে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) জানায়, স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টির স্থলভাগে প্রবেশের প্রক্রিয়া শুরু হয়। পরে, ভোর সাড়ে ৩টা থেকে সাড়ে ৫টার মধ্যে নেল্লোর ও নারসাপুরের মধ্যবর্তী উপকূল দিয়ে ওঙ্গোলের কাছে স্থলভাগ অতিক্রম করে এটি। তখন বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ১০০ থেকে ১১০ কিলোমিটার। দমকা হাওয়ায় তা ১২০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠেছিল।
ঘূর্ণিঝড়টি ঘণ্টায় প্রায় আট কিলোমিটার বেগে উত্তর-উত্তর-পশ্চিম দিকে এগোচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরের মধ্যে এটি দুর্বল হয়ে সাধারণ ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে। পরে, রাতের মধ্যে আরও দুর্বল হয়ে গভীর নিম্নচাপে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে, মঙ্গলবার সকাল পর্যন্ত অন্ধ্র প্রদেশের দক্ষিণ উপকূলে ভারী বৃষ্টি ও ঝোড়ো বাতাস বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। একই সঙ্গে, সমুদ্রের স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে এক থেকে দেড় মিটার উঁচু জলোচ্ছ্বাস হতে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এতে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলার নিচু এলাকা প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এনটিআর জেলার কালেক্টর লক্ষ্মীশা জানিয়েছেন, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে এখন পর্যন্ত জেলায় বড় ধরনের কোনো সমস্যা হয়নি। তবে, ভূমিধসের আশঙ্কায় মোগলরাজপুরম এলাকার কয়েকটি পরিবারকে আশ্রয়শিবিরে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় বাসিন্দাদের ঘরে থাকার, অপ্রয়োজনে বাইরে না যাওয়ার এবং শিশুদের নিরাপদে রাখার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
সূত্র: এনডিটিভি
কেশম দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের আরও দুই সামরিক ড্রোন জব্দ করলো ইরান
ডেমোক্র্যাটরা জিতলে ‘মিস্টার ভেটো’ হবেন ট্রাম্প!