ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সাথে বৈঠকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রস্তাব করেন যে যুক্তরাষ্ট্র গাজা ‘দখল’ করবে এবং একে পুনর্গঠন করবে। এজন্য ফিলিস্তিনিদের অন্য কোথাও পুনর্বাসন করা হবে।
ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর আন্তর্জাতিক মহলে নিন্দার ঝড় ওঠে। বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি) ট্রাম্পের গাজা দখলের প্রস্তাবে তার অনেক রিপাবলিকান সহকর্মী বিভ্রান্তি ও সংশয় প্রকাশ করেন।
ভিন্নমত পোষণ করা আইন প্রণেতারা বলেছেন যে তারা এখনও ইসরাইল ও ফিলিস্তিনিদের জন্য দুই রাষ্ট্র সমাধানের পক্ষে। কেউ কেউ মার্কিন করদাতাদের ডলার ব্যয় করার বা এক বছরেরও বেশি সময় ধরে যুদ্ধে বিধ্বস্ত অঞ্চলে মার্কিন সেনা পাঠানোর ধারণাও প্রত্যাখ্যান করেছেন।
রিপাবলিকান সিনেটর র্যান্ড পল এক্সে বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম আমরা প্রথমে আমেরিকার পক্ষে ভোট দিয়েছি। আমাদের সম্পদ ধ্বংস করে এবং আমাদের সৈন্যদের রক্তপাত করে আরেকটি দখলদারিত্বের কথা ভাবার কোনো কারণ নেই।’
সিনেটর ক্রিস ভ্যান হোলেন এমএসএনবিসি-তে বলেছেন, ‘এটি অন্য নামে জাতিগত নির্মূল।’
এদিকে সিনেটর লিসা মুরকোস্কি বলেছেন, ‘যে অঞ্চলে ইতিমধ্যেই যথেষ্ট সংঘাত হয়েছে সেখানে মার্কিন বাহিনী পাঠানোর কোনো সম্ভাব্য প্রস্তাব নিয়ে তিনি জল্পনা-কল্পনা করতে চান না।’
তবে হাউস স্পিকার মাইক জনসন ট্রাম্পের পরিকল্পনাকে ওই অঞ্চলের শান্তি নিশ্চিত করার জন্য সাহসী, সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ হিসেবে প্রশংসা করেছেন।