গাজায় মানবিক সহায়তা দেওয়ার সময় ইসরায়েলি হামলায় অস্ট্রেলীয় ত্রাণকর্মী জোমি ফ্রাঙ্ককম নিহতের দুই বছর পেরিয়ে গেলেও এখনো ন্যায়বিচারের অপেক্ষায় রয়েছে অস্ট্রেলিয়া।
বুধবার (১ এপ্রিল) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়ং এই ঘটনার পূর্ণ তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
২০২৪ সালের ১ এপ্রিল মধ্য গাজায় ইসরায়েলি বিমান হামলায় 'ওয়ার্ল্ড সেন্ট্রাল কিচেন'-এর সাতজন কর্মী নিহত হন, যাদের অন্যতম একজন ছিলেন জোমি ফ্রাঙ্ককম।
পেনি ওয়ং জানান, অস্ট্রেলীয় সরকার এই হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে "পূর্ণ জবাবদিহি" নিশ্চিত করতে ইসরায়েলের ওপর চাপ অব্যাহত রেখেছে, যার মধ্যে প্রয়োজনীয় ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত।
অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যাশা, এই সাত ত্রাণকর্মীর মৃত্যুর বিষয়ে ইসরায়েল যে তদন্ত চালাচ্ছে, তাতে পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখা হবে। এছাড়া জোমি হত্যাকাণ্ডের প্রতিক্রিয়ায় জাতিসংঘে অস্ট্রেলিয়ার উত্থাপিত 'মানবিক কর্মীদের সুরক্ষা ঘোষণা' (Declaration for the Protection of Humanitarian Personnel)-এ ইতিমধ্যে ১১০টি দেশ স্বাক্ষর করেছে বলে পেনি ওয়ং উল্লেখ করেন। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধবিধ্বস্ত এলাকায় সহায়তাকারী কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
সূত্র: আলজাজিরা

