মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে একদিকে চলছে কূটনৈতিক তৎপরতা, অন্যদিকে বাড়ছে সামরিক শক্তি প্রদর্শন। যুদ্ধবিরতি ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা করেছেন। এর মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যের জলসীমায় ৩য় বিমানবাহী রণতরী মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
ইরানের আধাসরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ জানিয়েছে, শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি পাকিস্তানের সেনাপ্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসহাক দারের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন।
আলোচনায় মূলত মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং দীর্ঘমেয়াদী ‘যুদ্ধবিরতি’ গুরুত্ব পেয়েছে। এছাড়া আরাগচি ইরাকের আধা-স্বায়ত্তশাসিত কুর্দিস্তানের প্রেসিডেন্ট নিচারভান বারজানির সঙ্গেও উদ্ভূত পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেছেন।
কূটনৈতিক আলোচনার সমান্তরালে সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে ওয়াশিংটন। ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধবিরতির মধ্যেই মধ্যপ্রাচ্যে নিজেদের তৃতীয় পরমাণু শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরী ‘ইউএসএস জর্জ এইচ. ডব্লিউ. বুশ’ মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (CENTCOM) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে। পেন্টাগন সূত্রে জানা গেছে, রণতরীটি গত মার্চ মাসে ভার্জিনিয়া থেকে রওনা হয়ে আফ্রিকা উপকূল পাড়ি দিয়ে বর্তমানে ভারত মহাসাগরে অবস্থান করছে। এটি মার্কিন নৌবাহিনীর দশটি শক্তিশালী পরমাণু রণতরীর অন্যতম।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলার মাধ্যমে এই সংঘাতের সূচনা হয়। এর আগেই মধ্যপ্রাচ্যে ‘ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কন’ মোতায়েন ছিল। পরবর্তীতে মার্চের মাঝামাঝি ‘ইউএসএস জেরাল্ড আর ফোর্ড’ নামে দ্বিতীয় রণতরীটি পাঠানো হয়। এখন ‘ইউএসএস জর্জ বুশ’ যুক্ত হওয়ায় ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক আধিপত্য আরও জোরালো হলো। সূত্র: আলজাজিরা
মিত্র দেশগুলোর জন্য যে সুখব দিলো ইরান
ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংলাপে পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ যুক্ত করার আহ্বান ইইউ'র