ক্ষেপণাস্ত্র টানেলের প্রবেশপথ পুনরায় চালু করছে ইরান: সিএনএন

আপডেট : ৩১ মে ২০২৬, ১১:২৩ পিএম

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন–এর বিশ্লেষণে দেখা গেছে, সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনাগুলোর প্রবেশপথ পুনরায় চালু করতে দ্রুত কাজ করছে ইরান। স্যাটেলাইট চিত্রে টানেলের মুখ থেকে ধ্বংসস্তূপ সরানো, রাস্তা মেরামত এবং অবকাঠামো পুনর্গঠনের নানা কার্যক্রম ধরা পড়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যুদ্ধের সময় ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্ককে অকার্যকর করতে টানেলের প্রবেশমুখ, সংযোগ সড়ক এবং উৎক্ষেপণ অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল ক্ষেপণাস্ত্র ও লঞ্চারগুলোকে ভূগর্ভেই আটকে রাখা। তবে নতুন স্যাটেলাইট চিত্রে দেখা যাচ্ছে, ইরান দ্রুতগতিতে এসব ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে।

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলার শিকার হওয়া ১৮টি ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র স্থাপনার মধ্যে বহু টানেলের প্রবেশপথ ইতোমধ্যে পুনরায় উন্মুক্ত করা হয়েছে। ধ্বংসস্তূপ অপসারণে বুলডোজার, ট্রাক ও ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করা হচ্ছে। কিছু এলাকায় ক্ষতিগ্রস্ত সড়কও পুনর্নির্মাণ বা পুনরায় পাকা করা হয়েছে।

মার্কিন গোয়েন্দা মহলের কিছু মূল্যায়ন অনুযায়ী, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতার একটি অংশ এখনো কার্যকর রয়েছে এবং দেশটি সামরিক উৎপাদন কার্যক্রমও আংশিকভাবে পুনরায় শুরু করেছে। কিছু কর্মকর্তা মনে করছেন, ইরান প্রত্যাশার চেয়েও দ্রুত পুনর্গঠন করছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি মার্কিন-ইসরায়েলি বোমা হামলার দীর্ঘমেয়াদি কার্যকারিতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলছে। কারণ ভূগর্ভস্থ গভীর স্থাপনাগুলো শুধু প্রবেশমুখ ধ্বংস করে স্থায়ীভাবে অকার্যকর করা কঠিন। টানেলের মুখ সাময়িকভাবে বন্ধ করা গেলেও ভেতরের অবকাঠামো ও অস্ত্রভাণ্ডার অনেক ক্ষেত্রে অক্ষত থেকে যেতে পারে। সূত্র: সিএনএন

AS
আরও পড়ুন