বাগদাদে এক মাসেই ৮২টি মানবপাচার মামলা

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩০ পিএম

সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর ) সেপ্টেম্বর মাসের পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। মানবপাচার, বিদেশি আবাসন আইন লঙ্ঘন এবং আত্মহত্যার মামলার হিসাব এসেছে দেশের বিভিন্ন আপিল আদালত থেকে। কাউন্সিলের মিডিয়া অফিস ইরাকি নিউজ এজেন্সিকে পাঠানো বিবৃতিতে এসব তথ্য দিয়েছে।

মানবপাচার সংক্রান্ত মামলা রেকর্ড হয়েছে ২২০টি। বাগদাদ আল-কার্খ আপিল আদালত একাই ৮২টি মামলা নিয়ে প্রথম স্থানে রয়েছে। বাসরা আপিল আদালতে এসেছে ৩৮টি। বাগদাদ আল-রুসাফায় সংখ্যাটা ২৭। নজফ, ধি কার ও মুথান্নার আপিল আদালতে এ ধরনের কোনো মামলাই নথিভুক্ত হয়নি।

বিদেশি আবাসন আইন লঙ্ঘনের চিত্র ভিন্ন। ২০১৭ সালের ৭৬ নম্বর আইন লঙ্ঘনের মামলা হয়েছে ২৮৪টি। বাগদাদ আল-রুসাফা আপিল আদালত এ ক্ষেত্রে ১১৫টি মামলা নিয়ে এগিয়ে আছে। বাগদাদ আল-কার্খে ৭৬টি। ওয়াসিট আপিল আদালতে ৭০টি। নিনাওয়া, বাবিল, নজফ, ধি কার, আনবার, বাসরা, সালাহ আল-দিন, মুথান্না, মাইসান ও কারবালার আপিল আদালতে এ ধরনের মামলা একটাও আসেনি।

আত্মহত্যার ঘটনা রেকর্ড হয়েছে ৩০টি। কিরকুক আপিল আদালত থেকে এসেছে সবচেয়ে বেশি-৮টি। নিনাওয়ায় ৬টি। কাদিসিয়া ও মুথান্নায় চারটি করে। নজফে তিনটি। ওয়াসিটে দুটি। দিয়ালা, ধি কার ও কারবালায় একটি করে ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে।

কাউন্সিলের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এসব পরিসংখ্যান সেপ্টেম্বর মাসে দেশের আপিল আদালতগুলোতে নথিভুক্ত মামলার ভিত্তিতে তৈরি। মানবপাচার ও আবাসন আইন লঙ্ঘনের মামলার সংখ্যায় বাগদাদের দুই আপিল আদালতই এগিয়ে। আত্মহত্যার ক্ষেত্রে উত্তরাঞ্চলীয় আদালতগুলোর সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, মামলার এ হিসাব নিয়মিত প্রকাশ করা হয়। সেপ্টেম্বরের তথ্যে দেখা যাচ্ছে, কিছু প্রদেশে নির্দিষ্ট ধরনের মামলা একেবারেই নেই। অন্যদিকে বাগদাদ ও বাসরায় মানবপাচার এবং আবাসন সংক্রান্ত মামলার চাপ বেশি।

বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এসব মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। পরিসংখ্যান শুধু নথিভুক্ত সংখ্যা তুলে ধরেছে। কোনো রায় বা চূড়ান্ত ফলাফলের কথা এখানে বলা হয়নি।

ইরাকি নিউজ এজেন্সি বিবৃতিটি পেয়েছে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে। কাউন্সিলের মিডিয়া অফিস নিয়মিত এ ধরনের মাসিক হিসাব পাঠায়। সেপ্টেম্বরের তথ্যে মানবপাচার ২২০, আবাসন আইন লঙ্ঘন ২৮৪ এবং আত্মহত্যা ৩০-এই তিনটি বিষয়ই স্পষ্টভাবে উঠে এসেছে।

সূত্র: ইরাকি নিউজ এজেন্সি

এটিটিআর
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত