হরমুজের কাছে দ্বিতীয় মার্কিন গোয়েন্দা ড্রোন জব্দ আইআরজিসি'র

আপডেট : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৫ পিএম

হরমুজ প্রণালির পশ্চিমে কেশম দ্বীপের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় একটি গোয়েন্দা ও লক্ষ্যভ্রষ্টকারী ড্রোন অক্ষত অবস্থায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী বা আইআরজিসির নৌবাহিনী। ড্রোনটির দিকনির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিজেদের আয়ত্তে নেওয়ার পর সেটিকে ভূপাতিত না করে নিরাপদে অবতরণ করানো হয়েছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) পরিচালিত এক অভিযানে ড্রোনটি শনাক্ত ও নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয় বলে আইআরজিসি নৌবাহিনীর বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বলা হয়, বাহিনীর ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ইউনিট প্রথমে এমকিউএম-১৭০ মডেলের ড্রোনটির উপস্থিতি শনাক্ত করে। পরে এর দিকনির্দেশনা ও নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা নিজেদের আয়ত্তে নিয়ে ড্রোনটিকে শারীরিকভাবে ধ্বংস না করেই নিরাপদে নামিয়ে আনা হয়।

আইআরজিসি নৌবাহিনীর দাবি, ড্রোনটির মূল অভিযান ছিল পারস্য উপসাগরীয় উপকূল এবং কেশম দ্বীপের আশপাশে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা। সামরিক অবস্থান ও স্থাপনার ছবি তোলার পাশাপাশি ড্রোনটির মাধ্যমে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার প্রতিক্রিয়া, শনাক্ত হওয়ার সক্ষমতা এবং সামগ্রিক কার্যকারিতা যাচাইয়ের চেষ্টা করা হচ্ছিল বলে বিবৃতিতে জানানো হয়।

এমকিউএম-১৭০ আউটল নামে পরিচিত ড্রোনটি যুক্তরাষ্ট্রের গ্রিফন অ্যারোস্পেস নামের একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করেছে। মূলত আকাশপথে সম্ভাব্য হুমকির অনুকরণ, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থার পরীক্ষা এবং সংশ্লিষ্ট সদস্যদের প্রশিক্ষণের কাজে এ ধরনের ড্রোন তৈরি করা হয়।

আইআরজিসি নৌবাহিনীর বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ড্রোনটি অক্ষত অবস্থায় নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ায় এর সরঞ্জাম এবং পরিচালনাপদ্ধতি পরীক্ষা করার সুযোগ তৈরি হয়েছে। প্রতিপক্ষের সামরিক সরঞ্জাম ও কার্যক্রম সম্পর্কে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রেও এ ঘটনাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে বাহিনীটি। তবে ড্রোনটি কীভাবে পরবর্তী সময়ে পরীক্ষা করা হবে বা এ থেকে কী ধরনের তথ্য পাওয়া গেছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হয়নি।  সূত্র: ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি

এএস
আরও পড়ুন