রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ক আরও জোরদারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন দেশটির নেতা কিম জং উন। পিয়ংইয়ং সবসময় মস্কোর পাশে থাকবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
বুধবার (২৫ মার্চ) রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম কোরিয়ান সেন্ট্রাল নিউজ এজেন্সির (কেসিএনএ) প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়।
স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হওয়ায় কিমকে অভিনন্দন জানিয়েছিলেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেই বার্তার জবাবে পুতিনকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি দুই দেশের সম্পর্ককে ‘পারস্পরিক জোরালো সমর্থনের জোট’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন কিম। তিনি বলেন, ‘পিয়ংইয়ং সবসময় মস্কোর সঙ্গে থাকবে। এটি আমাদের পছন্দ এবং অটল ইচ্ছা।’ অন্যদিকে পুতিন তার বার্তায় মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যকার ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও এগিয়ে নিতে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।
গত রোববার পিয়ংইয়ংয়ে অনুষ্ঠিত ১৫তম সুপ্রিম পিপলস অ্যাসেম্বলির প্রথম অধিবেশনে কিম দেশের শীর্ষ গভর্নিং বডি স্টেট অ্যাফেয়ার্স কমিশনের প্রেসিডেন্ট হিসেবে পুনর্নির্বাচিত হন।
কোনো তৃতীয় পক্ষের দ্বারা আক্রান্ত হলে পারস্পরিক সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০২৪ সালে একটি ব্যাপক কৌশলগত অংশীদারিত্ব চুক্তি স্বাক্ষর করে উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়া। এরপর ২০২৫ সালের আগস্ট মাসে ইউক্রেনীয় সেনাদের সঙ্গে লড়াইয়ের সময় পুঁতে রাখা ল্যান্ডমাইন অপসারণে রুশ বাহিনীকে সহায়তা করতে রাশিয়ার কুরস্ক অঞ্চলে প্রায় এক হাজার সামরিক প্রকৌশলী পাঠায় উত্তর কোরিয়া।
দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যমতে, রাশিয়ার যুদ্ধ প্রচেষ্টায় সহায়তা করার জন্য এর আগে আনুমানিক ১৫ হাজার যুদ্ধ সেনা পাঠিয়েছিল পিয়ংইয়ং। সেই ধারাবাহিকতায় সামরিক প্রকৌশলীদের মোতায়েন করা হয়। সংস্থাটির দাবি, এই যুদ্ধে পিয়ংইয়ং তাদের দুই হাজার সেনা হারিয়েছে।

