ভারতের গুজরাটে মেডিকেল কলেজের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যুকে কেন্দ্র করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। অভিযোগ, ‘র্যাগিং’য়ের শিকার হয়ে টানা তিন ঘণ্টা দাঁড়িয়ে থাকার পর মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি। খবর আনন্দবাজার পত্রিকা অনলাইন।
এ ঘটনার উপযুক্ত তদন্তের দাবি জানিয়েছে নিহত ছাত্রের পরিবার। পুলিশের পক্ষ থেকে কলেজের অ্যান্টি র্যাগিং কমিটির কাছ থেকে রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।
গুজরাটের পাটন জেলার ধরপুরের জিএমইআরএস মেডিকেল কলেজে সম্প্রতি ভর্তি হয়েছিলেন ১৮ বছরের অনিল নটবরভাই মেথানিয়া। তিনি সুরেন্দ্রনগরের বাসিন্দা। অভিযোগ, শনিবার রাতে (১৬ নভেম্বর) ওই কলেজের তৃতীয় বর্ষের ছাত্রেরা প্রথম বর্ষের কয়েক জন ছাত্রকে ডেকে পাঠান। তিন ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হয় তাদের। পরে একে একে তাদের পরিচয় জানতে চাওয়া হয়। সে সময়েই অনিল আচমকা মাথা ঘুরে পড়ে যান।
সহপাঠীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে তাকে মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক সহপাঠী বলেন, ‘শনিবার রাত ১০টা নাগাদ হোয়াট্সঅ্যাপ গ্রুপে আমাদের প্রথম বর্ষের ১০ জনের বেশি ছাত্রকে ডেকে পাঠান সিনিয়রেরা। একেক জনকে দুই থেকে তিন ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখা হয়। পরে বলা হয় নিজের পরিচয় দিতে।’
কলেজের অ্যান্টি র্যাগিং কমিটি এরই মধ্যে এ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। কলেজ কর্তৃপক্ষ পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেছেন। কলেজের ডিন হার্দিক শাহ জানিয়েছেন, র্যাগিংয়ে অভিযুক্ত প্রমাণিত হলে ছাত্রছাত্রীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নেয়া হবে।

