ভারতে রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল মিলিয়ে ৩০ জন মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এই ৩০ জনের মধ্যে ১২ জন, অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ মুখ্যমন্ত্রী ফৌজদারি মামলার আসামি।
শুক্রবার (২২ আগস্ট) এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানায় ভারতের গণতন্ত্র ও নির্বাচন পর্যবেক্ষণকারী এনজিও অ্যাসোসিয়েশন অব ডেমোক্রেটিক রিফর্মস (এডিআর)।
এডিআরের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সবচেয়ে বেশি ফৌজদারি মামলা চলছে তেলেঙ্গানার মুখ্যমন্ত্রী রেভান্ত রেড্ডির বিরুদ্ধে—৮৯টি। দ্বিতীয় স্থানে আছেন তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্ট্যালিন, যাদের বিরুদ্ধে চলছে ৪৭টি মামলা। তৃতীয় ও চতুর্থ স্থানে রয়েছে অন্ধ্রের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু (১৯টি মামলা) এবং কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী সিদ্দারমাইয়াহ (১৩টি মামলা)। পঞ্চম স্থানে আছেন ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেন, যাদের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা রয়েছে।
অন্যদিকে কেরালার মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়নের বিরুদ্ধে ২টি, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবীশের বিরুদ্ধে ১টি, হিমাচলের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিংয়ের বিরুদ্ধে ১টি এবং পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ভগবন্দ সিং মানের বিরুদ্ধে ১টি ফৌজদারি মামলা চলছে।
এই ১২ জন মুখ্যমন্ত্রীর মধ্যে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, ঘুষ গ্রহণ এবং ভয়-ভীতি প্রদর্শনের মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার লোকসভায় তিনটি বিল উত্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে। বিলে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে যদি গুরুতর কোনো ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়, তাহলে অভিযোগ দায়েরের ৩০ দিনের মধ্যে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হবে। এ প্রতিবেদনের প্রকাশও এমন সময় হয়েছে, যখন সংসদে এই বিল নিয়ে আলোচনার আবহ তৈরি হয়েছে।
ইসরায়েলি হামলায় আরও ৭১ ফিলিস্তিনি নিহত
পাকিস্তানে বন্যাদুর্গতদের আর্থিক সহায়তা দেবে যুক্তরাজ্য