নির্বাচনে ভোট দেওয়া নাগরিকের মৌলিক অধিকার। তবে অনেকেই এবার প্রথমবারের মতো ভোটকেন্দ্রে যাচ্ছেন। ফলে ভোট দেওয়ার কিছু নিয়ম বিশেষ করে ব্যালট পেপারে সিল দেওয়া ও ভাঁজ করার পদ্ধতি অনেকের কাছে পরিষ্কার নয়। ভুলভাবে ভাঁজ করলে ভোট বাতিল হওয়ার ঝুঁকি থাকে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভোটকেন্দ্রে প্রবেশের পর প্রথমেই পোলিং অফিসার ভোটার তালিকায় নাম ও ক্রমিক নম্বর যাচাই করবেন। তালিকায় নাম ও ছবি মিললে ভোটারকে ভোট দেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। এরপর ভোটারের বাম হাতের বৃদ্ধাঙ্গুলে বা অন্য কোনো আঙুলে অমোচনীয় কালি লাগানো হবে।
এরপর প্রিসাইডিং অফিসার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত পোলিং অফিসার ভোটারকে দুটি ব্যালট পেপার প্রদান করবেন একটি সংসদ নির্বাচনের জন্য (সাদা রঙের) এবং অন্যটি গণভোটের জন্য (গোলাপি রঙের)। ব্যালট গ্রহণের সময় পেছনে অফিসিয়াল সিল ও প্রিসাইডিং অফিসারের স্বাক্ষর রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হয়ে নেওয়া জরুরি।
ব্যালট হাতে পাওয়ার পর ভোটারকে নির্ধারিত গোপন কক্ষে গিয়ে পছন্দের প্রার্থীর প্রতীকের ওপর রাবার স্ট্যাম্প দিয়ে স্পষ্টভাবে সিল দিতে হবে। গণভোটের ক্ষেত্রে আলাদা ব্যালটে ‘হ্যাঁ’ বা ‘না’ এর ঘরে সিল দিতে হবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ব্যালট পেপার ভাঁজ করার বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিকভাবে ভাঁজ না করলে সিলের কালি অন্য প্রতীকে লেগে যেতে পারে। এতে একাধিক প্রতীকে সিল থাকার কারণে ভোট বাতিল হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
সিল দেওয়ার পর প্রথমে ব্যালট পেপারটি লম্বালম্বিভাবে ভাঁজ করতে হবে। এরপর ওপরের দিকে আরেকবার ভাঁজ দিতে হবে, যাতে সিল দেওয়া অংশটি ভেতরে থাকে এবং অন্য কোনো প্রতীকের সঙ্গে সংস্পর্শে না আসে।
সঠিক নিয়ম মেনে ভোট প্রদান করলে আপনার ভোট সুরক্ষিত থাকবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণও হবে যথাযথভাবে।
যেসব কারণে আপনার ভোট বাতিল হতে পারে
