সৈয়দপুর বিমানবন্দরে জামায়াত নেতার টাকা জব্দকাণ্ড

ব্রিফিং না করে সটকে পড়লেন প্রশাসনের কর্মকর্তারা

আপডেট : ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০২:১৮ এএম

নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ব্যক্তিগত ৭৪ লাখ টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দীন প্রধানকে পুলিশি হেফাজতে নেয়ার কারণ নিয়ে ধূম্রজাল তৈরি করেছে প্রশাসন।

দিনভর এ বিষয়ে কোনো সুস্পষ্ট বক্তব্য না দিয়ে শুধু লুকোচুরি করেছে পুলিশ, বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।

বুধবার ( ১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সংবাদ কর্মীদের কোনো রকম ব্রিফিং না করেই বিমানবন্দর ত্যাগ করার সময় অনেকটা অপরাধীর পালিয়ে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটিয়েছেন জেলা পুলিশ সুপার শেখ জাহিদুল ইসলাম ও সৈয়দপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মেহদী ইমাম।

তবে সংবাদ কর্মীদের অবরোধের মুখে দীর্ঘ ২০ মিনিট আটকে থাকার পর বাধ্য হয়ে কথা বলেন নির্বাচন উপলক্ষে সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ফয়সাল আহমেদ।

তিনি বলেন, আমি এখানে এসে কোনো অভিযোগকারী, সাক্ষী ও অভিযুক্তকে পাইনি। তবে যে টাকা পাওয়া গেছে তা পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। যার টাকা তিনি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সুস্থ হলে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে। এটা আমার জুরিডিক্শনের বাইরে তাই এ বিষয়ে মিডিয়ার সামনে কথা বলার কোনো এখতিয়ার নেই।

এর আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত অর্ধশতাধিক সংবাদকর্মী এসপি, ওসি, বিমানবন্দর ম্যানেজার ও সেনাক্যাম্পের কমান্ডারকে অসংখ্যবার কল করলেও তারা রিসিভ করেননি। অথচ মিডিয়া হাউজ থেকে বার বার তাগাদা দিয়ে যাচ্ছিলেন কর্তৃপক্ষ।

ফলে সংবাদ কর্মীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একারণে প্রশাসনের লোকজন যাওয়ার সময় তাদের আটকে ঘটনার সর্বশেষ জানাতে চায়। কিন্তু কেউ কথা না বলে একপ্রকার পালিয়ে যায়। এসময় মিডিয়ার সবাই সংক্ষিপ্ত বিচার আদালতের একটা গাড়ির সামনে বসে পড়ে। তারপর সংক্ষিপ্ত কথা বলেন ম্যাজিস্ট্রেট।

এদিকে এই ঘটনা নিয়ে সারাবিশ্বে ব্যাপক তোলপাড় চলে দিনভর। প্রশাসনের এমন আচরণে মিডিয়া কর্মীসহ জামায়াতের নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে সমালোচনার ঝড় বইছে। একইসাথে এর সাথে বিএনপিসহ কয়েকটি মিডিয়ার স্থানীয় প্রতিনিধি, পুলিশ ও বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জড়িত বলে গুঞ্জন চলছে।

HN
আরও পড়ুন