শহীদ মিনারে ফুল দিতে বাধা

প্রতিক্রিয়ায় যে বার্তা দিলেন রুমিন ফারহানা

আপডেট : ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১০:৪৯ এএম

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের নবনির্বাচিত স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা।

শুক্রবার (২০ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে স্থানীয় বিএনপির একাংশের কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত ও বাধার সম্মুখীন হওয়ার পর তিনি তীব্র ক্ষোভ ও হুঁশিয়ারি ব্যক্ত করে এ অভিযোগ করেন।

রুমিন ফারহানা অভিযোগ করে বলেন, ‘ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স’ অনুযায়ী সংসদ সদস্য হিসেবে তার সবার আগে ফুল দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেখানে উপস্থিত বিএনপির কিছু নেতাকর্মী তার ও তার সমর্থকদের ওপর পরিকল্পিতভাবে হামলা চালায়। 

তিনি বলেন, ‘আমাকে একপাশে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার মতো অবস্থা তৈরি করা হয়েছে। আমার এক কর্মীকে পিটিয়ে রক্তাক্ত করা হয়েছে। এটি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং পুরোপুরি পূর্বপরিকল্পিত এবং ভয়ংকর হিংস্রতা।’

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা আরও বলেন, ‘নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার কষ্ট এবং কোটি কোটি টাকার লেনদেনে ব্যর্থ হয়ে গুন্ডা প্রকৃতির লোকেরা এই তাণ্ডব চালিয়েছে।’

১৭ বছর পর ক্ষমতায় আসা বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সরকার মাত্রই এসেছে। বিএনপি যদি এখনই লোকাল লেভেলের নেতাকর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করে এবং উশৃঙ্খলদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়, তবে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে এবং দলের ভাবমূর্তি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’

আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে শহীদ মিনারে আসার পাল্টা অভিযোগকে ‘ভিত্তিহীন’ দাবি করে রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এই দাবি সত্য নয়। আর যদি কেউ যেতও, তার মানে কি তাকে মারতে হবে? এমনটা হলে তো এই সরকারের চরিত্র নিয়েই প্রশ্ন উঠবে।’ তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।

এদিকে, এই হামলার প্রতিবাদে রুমিন ফারহানার সমর্থকরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করলে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ গিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থার আশ্বাস দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

DR/SN
আরও পড়ুন