ভারত চাইলে ৩টি বিশ্বমানের দল নামাতে পারে: ফিলিপস 

আপডেট : ০৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:৫৯ এএম

টি-২০ বিশ্বকাপ ২০২৬-এর মেগা ফাইনালে রোববার (৮ মার্চ) আহমেদাবাদের নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে স্বাগতিক ভারত ও নিউজিল্যান্ড। তবে মাঠের লড়াইয়ের আগেই শুরু হয়েছে মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধ। নিউজিল্যান্ডের তারকা অলরাউন্ডার গ্লেন ফিলিপস দুই দেশের জনসংখ্যার বিশাল পার্থক্যের কথা তুলে ধরে ভারতকে প্রচ্ছন্ন চাপে রাখার চেষ্টা করেছেন।

শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে ফিলিপস বলেন, ‘নিউজিল্যান্ডের জনসংখ্যা মাত্র ৫০ লাখের কিছু বেশি। আমাদের মতো ছোট একটি দেশ যখন ভারতের মতো ক্রিকেটীয় পরাশক্তির সঙ্গে সমানে সমান লড়াই করে, সেটাই আমাদের জন্য একটি বড় অর্জন।’

পরিসংখ্যান বলছে, নিউজিল্যান্ডের মোট জনসংখ্যা প্রায় ৫৩.৬ লাখ (৫.৩৬ মিলিয়ন)। মজার ব্যাপার হলো, ফাইনাল যে শহরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে, সেই আহমেদাবাদের জনসংখ্যাই প্রায় ৯৩ লাখ! অর্থাৎ একটি শহরের অর্ধেক জনসংখ্যার দেশ হয়ে ভারতের মতো ১৪০ কোটি মানুষের দেশের মোকাবিলা করতে যাচ্ছে ব্ল্যাক ক্যাপসরা।

ভারতের বিশাল ট্যালেন্ট পুলের প্রশংসা করে ফিলিপস বলেন, ‘ভারতের প্রতিভা অবিশ্বাস্য। তারা চাইলে এই বিশ্বকাপে সমমানের অন্তত তিনটি আলাদা দল নামাতে পারতো। আমাদের জনসংখ্যা কম হওয়ায় আমাদের হাই-পারফরম্যান্স প্রোগ্রামগুলো অনেক বেশি সুনির্দিষ্ট হতে হয়। প্রতিটি খেলোয়াড়কে অনেক যত্ন নিয়ে তৈরি করতে হয়।’

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের বিশাল জনসংখ্যা ও কোটি ভক্তের প্রত্যাশার কথা মনে করিয়ে দিয়ে ফিলিপস মূলত স্বাগতিকদের ওপর মনস্তাত্ত্বিক চাপ তৈরি করতে চেয়েছেন। কোটি কোটি মানুষের প্রত্যাশার বোঝা নিয়ে মাঠে নামা ভারতের জন্য চ্যালেঞ্জিং হতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে।

সব মিলিয়ে আহমেদাবাদের ঐতিহাসিক ময়দানে এক রোমাঞ্চকর লড়াইয়ের অপেক্ষায় ক্রিকেট বিশ্ব। ক্ষুদ্র জনসংখ্যার নিউজিল্যান্ড কি পারবে ক্রিকেটীয় পাওয়ারহাউস ভারতকে হারিয়ে বিশ্বসেরার মুকুট ছিনিয়ে নিতে?

DR
আরও পড়ুন