ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি এবং পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাকের গালিবাফকে হত্যার তালিকা বা ‘হিট লিস্ট’ থেকে সাময়িকভাবে সরিয়েছে ইসরায়েল। পাকিস্তানের বিশেষ অনুরোধের পর যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের একটি সূত্র।
সূত্র জানিয়েছে, 'ইসরায়েলিদের কাছে তাঁদের অবস্থান জানা ছিল এবং তারা তাঁদের হত্যা করতে চেয়েছিল। আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে বলেছি, যদি তাঁদেরও সরিয়ে দেওয়া হয়, তবে আলোচনা করার জন্য আর কেউ থাকবে না। এরপর যুক্তরাষ্ট্র ইসরায়েলকে তাঁদের হত্যা থেকে বিরত থাকতে বলেছে।'
পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই বিষয়ে তাৎক্ষণিক মন্তব্য করেনি। এর আগে যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রথমে খবরটি প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা যাচাইয়ের জন্য চার থেকে পাঁচ দিনের জন্য এই দুই শীর্ষ কর্মকর্তার নাম তালিকা থেকে সরানো হয়েছে।
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের চলমান সংঘাত বন্ধে পাকিস্তান, মিসর ও তুরস্ক মধ্যস্থতার ভূমিকা পালন করছে। বুধবার (২৫ মার্চ) পাকিস্তানের সামরিক কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, তারা ইরানের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব পৌঁছে দিয়েছেন।
ইরানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তারা যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ দফার প্রস্তাব পেয়েছেন, কিন্তু মনে করছেন, ওয়াশিংটনের দাবি অনেক বেশি। তবু প্রস্তাবটি যাচাই করে দেখা হচ্ছে। অন্য একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানিয়েছে, যুদ্ধের সমাধান ইরানের শর্তেই হবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ইরান পাঁচ দফার পাল্টা প্রস্তাব দিয়েছে।
পাকিস্তানের দুই কর্মকর্তা বুধবার (২৫ মার্চ) রয়টার্সকে নিশ্চিত করেছেন, তারা ইরানের কর্মকর্তাদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। সূত্র: রয়টার্স
সমঝোতা চুক্তিকে গুরুত্ব দিতে ইরানকে ট্রাম্পের সতর্কবার্তা
বিবিসিকে উচিৎ শিক্ষা দিতে হবে: ট্রাম্প
