মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে ‘শত্রু’ হিসেবে বিবেচিত দেশগুলোতে ক্রীড়া ইভেন্টে দল পাঠানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইরান।
বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দেশটির ক্রীড়া ও যুব মন্ত্রণালয় থেকে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের যৌথ হামলার জেরে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার প্রায় এক মাস পর এই ঘোষণা এলো।
ইরানের সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ জানিয়েছে, ইরানের জন্য যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। এ পরিস্থিতিতে সৌদি আরবের ক্লাব ট্র্যাক্টর সাজি এফসির ম্যাচ সূচি মাথায় রেখে দেশটি নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
ইরানি রাষ্ট্রটিভি জানিয়েছে, ইরান ‘শত্রু’ দেশগুলোতে দল পাঠানো বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে। দেশটির ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এই নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করলেও বিশ্বকাপের প্রসঙ্গ সরাসরি উল্লেখ করেনি। এপ্রিল মাসে সৌদি আরবের দুবাইতে শাবাব আল আহলির বিপক্ষে ট্র্যাক্টরের ম্যাচের কথা ছিল।
ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যেসব দেশ ইরানের কাছে শত্রু সমতুল্য এবং যেখানে ইরানি খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব নয়, সেসব দেশে জাতীয় ও ক্লাব দল পাঠানো বন্ধ থাকবে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলার জবাবে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশে হামলা চালায়, যার প্রভাব পড়েছে সৌদি আরব, দুবাই ও কাতারে।
মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, ফুটবল ফেডারেশন ও ক্লাবগুলো নিজেদের সূচি সংশোধনের জন্য এশিয়ান ফুটবল কনফেডারেশনের সঙ্গে সমন্বয় করবে।
মেক্সিকো সিটিতে ইরানের রাষ্ট্রদূত বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে নির্ধারিত তিনটি বিশ্বকাপ ম্যাচ মেক্সিকোতে স্থানান্তরের জন্য ফিফার সঙ্গে আলোচনা চলছে। এর আগে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিরাপত্তার কারণে ইরানকে বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখার চেষ্টা করেছিলেন।
গত সপ্তাহে ফিফার প্রেসিডেন্ট জিয়ানি ইনফান্তিনো জানিয়েছেন, ইরানের ম্যাচ সরানোর প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে এবং বিশ্বকাপ নির্ধারিত সূচি ও ভেন্যু অনুযায়ীই অনুষ্ঠিত হবে।
আয়াতুল্লাহ খামেনির শেষ ছবি প্রকাশ
মধ্যপ্রাচ্যের ১৭টি মার্কিন ঘাঁটিই ধ্বংস করা হয়েছে, দাবি ইরানের 
