উত্তর কোরিয়ার তৈরি আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের হাতে পৌঁছেছে এমন দাবি ঘিরে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো কোনো স্বাধীন বা নির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি।
কিছু প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, উত্তর কোরিয়ার হোয়াসং-১৮ ক্ষেপণাস্ত্র ইরানের হাতে এসেছে এবং তা দেশজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে। তবে এসব তথ্যের পক্ষে কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দেয়নি ইরান, উত্তর কোরিয়া বা সংশ্লিষ্ট আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো।
এ ধরনের আন্ত:মহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইল (সংক্ষেপে আইসিবিএম) স্থানান্তর অত্যন্ত জটিল, ব্যয়বহুল এবং আন্তর্জাতিক নজরদারির বাইরে গোপনে সম্পন্ন করা প্রায় অসম্ভব। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সিআইএ এবং ইসরায়েলের মোসাদ-এর মতো গোয়েন্দা সংস্থার নজর এড়িয়ে এত বড় সামরিক লেনদেন হওয়া নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন অনেকে।
এছাড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর প্রযুক্তিগত সক্ষমতা সম্পর্কেও যে দাবি করা হচ্ছে যেমন সম্পূর্ণ জ্যাম-অযোগ্য, শুধুমাত্র নক্ষত্রের অবস্থান দিয়ে পরিচালিত, কিংবা প্রায় শতভাগ নির্ভুলতা এসব বিষয়ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের কাছে অতিরঞ্জিত বলেই মনে হচ্ছে।
মিসাইলগুলো ইতিমধ্যে সারা ইরানজুড়ে মোতায়েন করা হয়েছে বলে জানাচ্ছেন ইরানের বেসরকারি মুখপাত্র প্রফেসর মারান্দি। নিশ্চিত পরমাণু হামলার মুখে এখন ইরানের হাতে রয়েছে পাল্টা আক্রমণের সক্ষমতা।
ইরানে দুই পিএমওআই সদস্যের ফাঁসি কার্যকর
যুক্তরাষ্ট্রের ৪৮ ঘণ্টার যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ করলো ইরান
