পদত্যাগের চাপে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০০ পিএম

যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত সাবেক ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত পিটার ম্যান্ডেলসনকে নিয়ে এক নজিরবিহীন কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। নিরাপত্তা যাচাইয়ে ব্যর্থ হওয়ার তথ্য জানা সত্ত্বেও তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল এমন অভিযোগ সামনে আসায় তার পদত্যাগের দাবিও জোরালো হচ্ছে।

শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) স্টারমার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, রাষ্ট্রদূত হিসেবে পিটার ম্যান্ডেলসনের নিয়োগের আগে তিনি যে নিরাপত্তা যাচাইয়ে উত্তীর্ণ হননি, সে তথ্য তাকে জানানো হয়নি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে বলেন, তিনি এ বিষয়ে অবগত ছিলেন না। 

২০২৪ সালের নির্বাচনে লেবার পার্টির বড় জয় এনে দেওয়া স্টারমার এখন নতুন করে রাজনৈতিক বিচারের মুখে পড়েছেন। ইংল্যান্ডের স্থানীয় নির্বাচন এবং স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসে আঞ্চলিক ভোটের মাত্র তিন সপ্তাহ আগে এই বিতর্ক তার জন্য বড় চাপ তৈরি করেছে।

এর আগে প্রয়াত কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে সম্পর্কের জেরে ম্যান্ডেলসন রাষ্ট্রদূতের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। সেই সময় স্টারমার সাময়িকভাবে সমালোচনার চাপ কমাতে সক্ষম হলেও, নতুন এই তথ্য সামনে আসায় পরিস্থিতি আবারও জটিল হয়ে উঠেছে। এদিকে বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির নেতা কেমি বেইডনক স্টারমারের ব্যাখ্যাকে 'অবিশ্বাস্য' বলে মন্তব্য করেছেন। অন্যদিকে রিফর্ম ইউকের নেতা নাইজেল ফারাগে এটিকে 'স্পষ্ট অসততা' বলে আখ্যা দিয়েছেন। 

বেইডনক সামাজিক মাধ্যমে আরও বলেন, স্টারমারের সঙ্গে কাজ করা এখন যুক্তরাজ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ পেশাগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে তার ঘনিষ্ঠ সহকারীদের পদত্যাগের ঘটনাকে ইঙ্গিত করে তিনি এ মন্তব্য করেন।

AHA
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত