নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত দুই দিনের ব্রিকস পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক শেষ হয়েছে কোনো ধরনের যৌথ ও একক অবস্থান গ্রহণ ছাড়াই। ইরান যুদ্ধ ইস্যুকে কেন্দ্র করে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে চলা মতপার্থক্য আরও স্পষ্টভাবে সামনে এসেছে, যার ফলে চূড়ান্ত নথিতে শুধু এতটুকুই উল্লেখ করা হয় যে, সদস্যদের মধ্যে ভিন্ন ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি বিদ্যমান রয়েছে।
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকটি ছিল ভারতের সভাপতিত্বকালীন সময়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কূটনৈতিক আয়োজন, যা পরিচালিত হয় ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের নেতৃত্বে। তবে বৈঠকের পুরো প্রক্রিয়াজুড়ে ইরান কেন্দ্রিক চলমান যু/দ্ধ পরিস্থিতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা সংকট এবং আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর ভূমিকা নিয়ে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে তীব্র মতভেদ লক্ষ্য করা যায়।
বৈঠকের ভেতরে আলোচনার এক পর্যায়ে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে সরাসরি মতবিনিময় ও উত্তপ্ত আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। মূলত ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি, হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে দুই পক্ষের অবস্থান একেবারেই বিপরীতমুখী হয়ে ওঠে, যা পুরো বৈঠকের আলোচনায় বাড়তি চাপ সৃষ্টি করে।
ব্রিকসের মতো একটি বহুপাক্ষিক জোটের ভেতরে এমন স্পষ্ট বিভাজন কেবল ইরান সংকটকে ঘিরেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি ভবিষ্যতে ব্লকের অভ্যন্তরীণ ঐক্য, সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া এবং বৈশ্বিক কূটনৈতিক প্রভাব বিস্তারের সক্ষমতার ওপরও দীর্ঘমেয়াদী প্রশ্ন তৈরি করছে। সূত্র: আলজাজিরা
থাইল্যান্ডে ট্রেনের সঙ্গে সংঘর্ষের পর বাসে আগুন, নিহত ৮
হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ইরানের!