বাংলাদেশের অর্থনীতি বর্তমানে আর্থিক, সামাজিক ও উৎপাদনশীল খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুমাত্রিক চাপে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ বা সিপিডি-এর নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে অর্থনীতির কিছু সূচকে স্বস্তির আভাস মিললেও তা স্থায়ী নয়; বরং কাঠামোগত দুর্বলতাগুলো এখনো রয়ে গেছে।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে সিপিডি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ‘২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি: উত্তরণকালীন সময়ে বহুমাত্রিক চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক মিডিয়া ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ফাহমিদা খাতুন বলেন, চলতি অর্থবছরের শেষ সময়ে এসে দেখা যাচ্ছে আর্থিক খাত, সামাজিক খাত এবং উৎপাদনশীল খাত নানা ধরনের চাপের মধ্যে রয়েছে। এসব চাপ নতুন কোনো ঘটনা নয়; বরং কয়েক বছর ধরেই তা দৃশ্যমান। মূল্যস্ফীতি, সরকারি অর্থায়ন, ব্যাংকিং খাতসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে সংকট ও চাপ বিদ্যমান, তা থেকে এখনো পুরোপুরি উত্তরণ সম্ভব হয়নি।
তিনি বলেন, দেশের অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিদ্যমান সংকটগুলো আরও ঘনীভূত হচ্ছে। একই সঙ্গে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা, আইন ও বিধি-বিধানের যথাযথ বাস্তবায়নের অভাব এবং জবাবদিহিতার ঘাটতিও সংকটকে আরও গভীর করছে।
সিপিডির নির্বাহী পরিচালক আরও বলেন, অর্থনীতির কিছু সূচকে বর্তমানে সাময়িক স্বস্তি দেখা গেলেও সেটিকে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক প্রবণতা হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। কারণ, এসব অর্জনকে টেকসই করতে প্রয়োজনীয় কাঠামোগত সংস্কার ও রূপান্তর এখনো বাস্তবায়িত হয়নি।
তিনি সতর্ক করে বলেন, অর্থনীতির কিছু ক্ষেত্রে যে আপাত স্বস্তির চিত্র দেখা যাচ্ছে, তার আড়ালে বহু অমীমাংসিত দুর্বলতা রয়ে গেছে। এসব দুর্বলতা দূর করতে কার্যকর নীতি পদক্ষেপ ও কাঠামোগত সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
আবারও বাড়লো বিদ্যুতের দাম, কোন পর্যায়ে কত?