দক্ষিণ লেবাননের কাফর তিবনিত গ্রামে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) উপর রাতভর হামলা চালিয়েছে হিজবুল্লাহ। এসময় ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর ৪ ট্যাংক ক্রু সেনা নিহত হয়েছেন।
এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর একই এলাকায় হিজবুল্লাহর আরেকটি ড্রোন হামলায় আহত হয়েছেন আরও ৫ ইসরায়েলি সেনা।
শুক্রবার (১৯ জুন) এই তথ্য নিশ্চিত করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী।
ইসরায়েলি বিমান হামলায় ১৮ জন নিহত হয়েছেন। তবে এই নিহতের তালিকায় কতজন সাধারণ নাগরিক বা কতজন সশস্ত্র যোদ্ধা রয়েছেন, তা সুনির্দিষ্টভাবে জানানো হয়নি। এমনটি জানিয়েছে লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।
ইরানের সাথে যুক্তরাষ্ট্রের চলতি সপ্তাহে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হওয়ার পরও লেবাননে ইসরায়েল এবং ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে এ ভয়াবহ সংঘর্ষ অব্যাহত রয়েছে।
ওই সমঝোতা স্মারকে দুই দেশ ও তাদের মিত্রদের শত্রুতা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল। তবে ইসরায়েল এই চুক্তির কোনও পক্ষ ছিল না।
হিজবুল্লাহর হাত থেকে রক্ষা করতে সীমান্ত শহরগুলোকে দক্ষিণ লেবাননে তৈরি করা বাফার জোন থেকে সেনা প্রত্যাহার করার ইরানি দাবি ইতোমধ্যে প্রত্যাখ্যান করেছে ইসরায়েল।
আইডিএফ জানিয়েছে, গত মধ্যরাতের পর কাফর তিবনিতে হিজবুল্লাহর একটি সন্দেহভাজন ড্রোন বা ট্যাংক-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ৪০১তম আর্মার্ড ব্রিগেডের ৫২তম ব্যাটালিয়নের কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল ডর গেদালিয়া বেন সিমহনের ট্যাংকে আঘাত হানে। এতে ট্যাংকে থাকা কমান্ডারসহ চার ক্রু সদস্যই নিহত হন।
নিহত অন্য তিন সেনার নাম পরবর্তীতে প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। বিস্ফোরণের সুনির্দিষ্ট কারণ অনুসন্ধানে আইডিএফ তদন্ত শুরু করেছে।
এই ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর কাফর তিবনিতেই হিজবুল্লাহর আরেকটি বিস্ফোরক ড্রোন কমান্ডো ব্রিগেডের ওপর আঘাত হানলে আরও ৫ ইসরায়েলি সেনা আহত হন, যাদের মধ্যে একজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
আহতদের মধ্যে একজন রিজার্ভিস্ট কর্মকর্তা, তিনজন সাধারণ রিজার্ভিস্ট এবং একজন এনসিও রয়েছেন।
একটি বিবৃতিতে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, তারা কাফর তিবনিত এলাকা এবং আলী তাহের পর্বতশৃঙ্গ রক্ষায় লড়াই চালিয়ে যাবে।
সূত্র: টাইমস অব ইসরায়েল
চীনের সাথে সহযোগিতা আরো বাড়াতে চায় নেপাল