হারারেতে তৃতীয় ও শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ১৯৯ রানে অলআউট করেছে বাংলাদেশ। শনিবার (১১ জুলাই) টস জিতে স্বাগতিকদের ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে প্রতিপক্ষকে আটকে দেয় বাংলাদেশ। সিরিজে ২-০ ব্যবধানে পিছিয়ে থাকা মেহেদী হাসান মিরাজের দলের সামনে এখন হোয়াইটওয়াশ এড়াতে প্রয়োজন ২০০ রান।
প্রথম দুই ম্যাচে বোলাররা নিজেদের দায়িত্ব ভালোভাবে পালন করলেও ব্যাটিং ব্যর্থতায় জয় পায়নি বাংলাদেশ। প্রথম ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়েকে ১৪১ রানে আটকে রেখেও ২৫ রানে হারে বাংলাদেশ। এরপর দ্বিতীয় ম্যাচে জিম্বাবুয়ের ২৪৭ রানের জবাবে ২৩৪ রানে থেমে যায় বাংলাদেশের ইনিংস, ফলে পরাজয় আসে ১৩ রানে।
তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন শরিফুল ইসলাম। একাদশে ফিরে বাঁহাতি এই পেসার ১০ ওভারে ৪৪ রান দিয়ে নিয়েছেন ৪ উইকেট। তার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনআপ বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি।
স্বাগতিকদের হয়ে ব্যতিক্রমী প্রতিরোধ গড়েন ওয়েসলি মাধভেরে। শুরুতে রিশাদ হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে জীবন পাওয়ার পর তিনি দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন। ৭৪ বলে ৫ চার ও ১ ছক্কায় ৭৫ রান করেন এই ব্যাটসম্যান।
শেষ দিকে ব্রাড ইভান্সের ৫০ রানের ইনিংসে জিম্বাবুয়ে লড়াইয়ের পুঁজি পায়। ৪৩ বলে ৫ চার ও ২ ছক্কায় সাজানো ছিল তার ইনিংস। এ ছাড়া ইনোসেন্ট কাইয়া করেন ২৫ রান। দলের অন্য কোনো ব্যাটসম্যান ২০ রানের ঘরে পৌঁছাতে পারেননি।
শেষ দিকে ইভান্সকে দ্রুত ফেরানো গেলে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ আরও কম হতে পারত। তবে বাংলাদেশের বোলাররা শেষ পর্যন্ত স্বাগতিকদের ১৯৯ রানের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখেন।
আগের দিনের তুলনায় হারারের উইকেট কিছুটা ধীরগতির। বলও ঘুরছে, যা বাংলাদেশের ব্যাটসম্যানদের জন্য বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। এখন জয়ের জন্য ব্যাটিং ইউনিটকে দায়িত্বশীল পারফরম্যান্স দিতে হবে।
হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর লড়াইয়ে জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলেছে বাংলাদেশ
‘আর্জেন্টিনাকে সুবিধা দেওয়া হচ্ছে’, গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ স্কালোনি
হালান্ডকে কী থামাতে পারবে ইংল্যান্ড?