আলবেনিয়ার সংরক্ষিত উপকূলীয় এলাকায় জ্যারেড কুশনারের সমর্থিত বিলাসবহুল রিসোর্ট প্রকল্প নতুন সংকটে পড়েছে। প্রকল্পের জন্য কেনা জমির দলিল জাল করা হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে দেশটির দুর্নীতি বিরোধী সংস্থা।
মার্কিন ব্যবসায়ী ও সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা জ্যারেড কোরি কুশনার- এর সঙ্গে যুক্ত এই প্রকল্পের জমি বিক্রির ঘটনায় আলবেনিয়ার বিশেষ দুর্নীতি দমন সংস্থা SPAK (স্পার্ক) তদন্ত শুরু করেছে। তদন্ত নথি অনুযায়ী, জমিটি বিক্রি করেছিলেন মিয়ামিভিত্তিক ব্যবসায়ী আরতুর শেহু।
SPAK (স্পার্ক) -এর অভিযোগ, শেহু ও তার সহযোগীরা মাদক পাচারের অর্থ আলবেনিয়ার সম্পত্তিতে বিনিয়োগ করতে জাল মালিকানা কাগজ ব্যবহার করেছিলেন। জমি বিক্রির প্রায় ১১ কোটি ইউরো (প্রায় ১২ কোটি ৬০ লাখ ডলার) অর্থ বর্তমানে একটি নোটারি অ্যাকাউন্টে জব্দ রাখা হয়েছে।
তবে শেহুর আইনজীবী কুজতিম চাকরানি অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেছেন, তার মক্কেল কোনো মাদক ব্যবসা বা জাল দলিল তৈরির সঙ্গে জড়িত নন এবং পরিবার বহু বছর ধরে ওই জমির বৈধ মালিক ছিল।
এদিকে দক্ষিণ আলবেনিয়ার উপকূলে রিসোর্ট নির্মাণের বিরুদ্ধে কয়েক মাস ধরে চলছে বিক্ষোভ। প্রকল্পের এলাকাটি সামুদ্রিক কচ্ছপ ও ফ্লেমিঙ্গোর আবাসস্থল হওয়ায় পরিবেশবাদী ও স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করছেন। ‘ফ্লেমিঙ্গো রেভল্যুশন’ নামে পরিচিত এই আন্দোলন এখন সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনে পরিণত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী এদি রামার সরকার অবশ্য অভিযোগ অস্বীকার করে বলছে, প্রকল্পটি আলবেনিয়া ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের আইন মেনেই করা হচ্ছে। SPAK (স্পার্ক)-এর তদন্তে এখন মূল প্রশ্ন,রিসোর্টের জন্য কেনা জমির মালিকানা সত্যিই বৈধ ছিল কি না।
সূত্র: আলজাজিরা
কিয়েভে ভয়াবহ রুশ হামলায় আহত অন্তত ১১ জন
দ্বিতীয় ব্ল্যাকআউটে থমকে গেলো পুরো কিউবার জনজীবন
৬৫ বছরেও অটুট চীন-উত্তর কোরিয়া সামরিক জোট