নীলফামারীর ডিমলায় মসজিদের ভেতর থেকে মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মসজিদে ঝুলন্ত মরদেহ দেখে হার্ট অ্যাটাকে মুয়াজ্জিনের মামার মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকালে উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝুনাগাছ চাপানী মুনাকাশা কাকড়া চৌপতি এলাকা মুনাকাশা বায়তুন নূর মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়নের দক্ষিণ ঝুনাগাছ চাপানী এলাকার মৃত নুরুল ইসলামের ছেলে আব্দুল মালেক (৩২) ও তার আপন মামা ওই এলাকার মৃত নছির উদ্দিনের ছেলে আহেদুল ইসলাম (৬৫)।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, আব্দুল মালেক দীর্ঘদিন ধরে ওই মসজিদে মুয়াজ্জিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। গত মঙ্গলবার তার বিয়ে সম্পন্ন হয়। আজকে সকালে মুসল্লিরা নামাজের জন্য মসজিদে এসে মসজিদের ভেতরে তার গলায় রশি প্যাঁচানো ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। তা দেখে পরিবারের লোকজনকে জানালে তার আপন মামা মসজিদে এসে ঝুলন্ত মরদেহ দেখে হার্ট অ্যাটাক করেন। পরে অন্যান্য মুসল্লিরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে ঝুনাগাছ চাপানী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান একরামুল হক চৌধুরী গণমাধ্যমকে বলেন, মসজিদে মুয়াজ্জিনের ঝুলন্ত মরদেহ দেখে তার মামার হার্ট অ্যাটাক হয়। পরে তাকে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
ডিমলা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শওকত আলী সরকার বলেন, মুয়াজ্জিনের মরদেহ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।