কেন খুলে রাখা হয়েছে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪ জলকপাট?

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ছুঁই ছুঁই, নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

আপডেট : ২২ জুলাই ২০২৬, ০১:৫১ পিএম

ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে নীলফামারীতে তিস্তা নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে। এর ফলে সংলগ্ন নিম্নাঞ্চলগুলোতে পানি প্রবেশ করতে শুরু করায় বড় ধরনের প্লাবনের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল ৯টায় নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার ডালিয়া পয়েন্টে তিস্তা নদীর পানির সমতল রেকর্ড করা হয়েছে ৫২.১৪ মিটার (বিপৎসীমা ৫২.১৫ মিটার), যা বিপৎসীমার মাত্র ১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

পানি বৃদ্ধির ফলে ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই, খগাখড়িবাড়ী, টেপাখড়িবাড়ী, খালিসা চাপানী, ঝুনাগাছ চাপানী, গয়াবাড়ী এবং জলঢাকা উপজেলার গোলমুন্ডা, ডাউয়াবাড়ী ও শৌলমারী ইউনিয়নের চরাঞ্চল ও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হতে শুরু করেছে। স্থানীয় টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রবিউল ইসলাম সাহিন জানান, পানি প্রবাহ অব্যাহত থাকলে নদীকূলের বিস্তীর্ণ এলাকা পুরোপুরি প্লাবিত হয়ে লোকালয়ে ছড়িয়ে পড়ার প্রবল ঝুঁকি রয়েছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং নদীর পানি প্রবাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রস্তুত রয়েছে কর্তৃপক্ষ। ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী জানান, তিস্তার পানি আরও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যেকোনো ধরনের চাপ সামাল দিতে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি জলকপাটই (স্লুইস গেট) খুলে রাখা হয়েছে।

SN
আরও পড়ুন