ক্রমবর্ধমান সংকটে তৈরি পোশাক খাত

ভিয়েতনামের কাছে অবস্থান হারিয়ে বাংলাদেশ তৃতীয়

আপডেট : ২৭ জুলাই ২০২৬, ০৭:০৯ এএম

আর্থিক চাপ, নীতিগত অনিশ্চয়তা এবং পরিচালনগত সংকটের মুখে পড়ে বৈশ্বিক তৈরি পোশাক (আরএমজি) রপ্তানিতে নিজেদের অবস্থান হারিয়েছে বাংলাদেশ। 

ভিয়েতনামের পেছনে পড়ে দেশ এখন তৃতীয় স্থানে নেমে এসেছে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএর সাবেক সভাপতি ফারুক হাসান। 

সম্প্রতি বাংলাদেশ প্লাস্টিক পণ্য প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতির (বিপিএমইএ) এক অনুষ্ঠানে তিনি পোশাক খাতের এই প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা হ্রাসের কথা উল্লেখ করে সমন্বিত উদ্যোগের দাবি জানান।

বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ২০২৫ সালের বৈশ্বিক প্রতিবেদনে বাংলাদেশকে দ্বিতীয় এবং ভিয়েতনামকে তৃতীয় স্থানে দেখানো হলেও মাঠপর্যায়ের চিত্র ভিন্ন। 

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যবসায়ী নেতারা জানান, এই খাতটি বর্তমানে ইতিহাসে অন্যতম কঠিন সময় পার করছে। ক্রমাগত বৃদ্ধি পাওয়া উৎপাদন খরচ, নগদ অর্থের সংকট এবং প্রশাসনিক জটিলতা রপ্তানিকারকদের চরম চাপে ফেলেছে।

ব্যবসায়ীদের অভিযোগের অন্যতম প্রধান তীর ছিল কাস্টমস বিভাগের দুর্নীতি ও বন্ডেড ওয়্যারহাউস লাইসেন্স প্রক্রিয়ার দিকে। বিপিএমইএর সাবেক সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন মতি অভিযোগ করেন, লাইসেন্স নবায়নে রপ্তানিকারকদের মোটা অঙ্কের ঘুষ দিতে বাধ্য করা হয়। 

১ আগস্ট অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিপিএমইএর নির্বাচনকে সামনে রেখে বর্তমান সভাপতি মো. শাহরিয়ারও একই ধরনের উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

পাশাপাশি স্থানীয় শিল্প রক্ষায় কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্ট শীর্ষ নেতারা। 

বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল এবং বিইএফ সভাপতি ফজলে শামীম এহসান বলেন, 'ফ্রি অব কস্ট' (এফওসি) আমদানির নিয়ম শিথিল করা হলে দেশীয় কাঁচামাল উৎপাদনকারীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা শিল্প রক্ষায় নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ ও নীতিগত সহায়তার জোরালো তাগিদ দেন।

সংবাদের তথ্যসূত্র: বিপিএমইএ-র পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পোশাক ও প্লাস্টিক খাতের ব্যবসায়ী নেতাদের বক্তব্য।

HN
আরও পড়ুন
সর্বশেষপঠিত